৩০ জুন, ২০২২ ০২:৫৬ পিএম

বন্যায় অধিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশু ও নারীরা

বন্যায় অধিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিশু ও নারীরা
অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ জানান, প্রত্যেক বছর বন্যার পানিতে ৬-৭ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়।

আসাদুল ইসলাম দুলাল: প্রাকৃতিক কারণে বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই বন্যা হয়। এই বন্যায় ভোগান্তিতে পড়ে জনজীবন। বর্তমানে সিলেট বিভাগসহ দেশের ২৮টি জেলা বন্যা কবলিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব জেলার অধিকাংশ এলাকা বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় প্রায় অর্ধ কোটি মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। এতে শিশু, নারী ও বৃদ্ধ বয়সীরা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এ বছর হঠাৎ বৃষ্টিতে সিলেটসহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হয়েছে, যা ১৫০-২৫০ বছরের মধ্যে রেকর্ড বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলে পানি বাড়ছে এবং পশ্চিমবঙ্গেও প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। তাই সারাদেশ বড় একটা বন্যার কবলে পড়ার শঙ্কা করা হচ্ছে। উপদ্রুত এলাকায় বন্যা ও বন্যা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ধরনের রোগবালাই দেখা যায়। কারণ, এ সময় পয়োনিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় মানুষ ও পশুপাখির মলমূত্র পানির সাথে মিশে দূষণ সৃষ্টি করে। আর এসব উৎস থেকে দূষিত পানি ও জীবাণু বন্যার পানিতে মিশে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পানিবাহিত বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার ঘটে।

বাংলাদেশ ইউনিসেফের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, দেশের উত্তর-পূর্ব অংশে-বিশেষ করে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ময়মনসিংহ ও শেরপুর আকস্মিক বন্যায় ৩৫ লাখ শিশুসহ প্রায় ৭২ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই আকস্মিক বন্যায় শিশু ও নারীরা ডুবে যাওয়াসহ পানিবাহিত রোগের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। বন্যায় পানিতে ডুবে মারা যাওয়া ৫২ জনের মধ্যে ১৯ জন শিশু রয়েছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহায়তায় এ পর্যন্ত চার লাখ ৭২ হাজার ৮৫৬ জন মানুষকে এক হাজার ৬০৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোরে অভ্যন্তরের পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং। সেখানে অতিরিক্ত ভিড়, বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাতের ফলে আলোর অভাব, নারী ও শিশুদের জন্য অপর্যাপ্ত নিরাপদ স্থানের পাশাপাশি পানি সরবরাহ, ল্যাট্রিন এবং অন্যান্য স্যানিটেশন সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে, যা আশ্রয়প্রার্থী জনগোষ্ঠীর জন্য অপর্যাপ্ত।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অনুসারে, বন্যা কবলিত এলাকায় ৪৪ হাজার ২৫৪টি পানির পয়েন্ট এবং ৪৯ হাজার ৮৮৫টি স্যানিটেশন সুবিধা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা অণুজীব, পয়োনিষ্কাশন, কৃষি বা শিল্প বর্জ্য, রাসায়নিক এবং অন্যান্য পদার্থের সাথে মিশে স্বাভাবিক পানির উৎসগুলোকে দূষণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অনেক জায়গা থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। ফলে মানুষ ডায়রিয়া ও চর্মরোগের মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কায় রয়েছে।

সিলেট বিভাগে ৩,৯৩৫ পানিবাহিত রোগ

গত ২৬ জুন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে তিন হাজার ৯৩৫টি পানিবাহিত রোগের খবর পাওয়া গেছে। বন্যার কারণে উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য সুবিধা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৪৩০টি মেডিকেল টিম সহায়তা প্রদানের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে বেশি ভিড় হওয়ায় তরুণী এবং মহিলারা ধর্ষণের ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব সংকট থেকে উত্তরণের করণীয় সম্পর্কে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেনও বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘বন্যার সময় আমাদের স্বাস্থ্য নানাভাবে বিঘ্নিত হয়, যা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে হতে পারে। প্রত্যক্ষভাবে আমরা দেখেছি অনেক শিশু পানিতে ডুবে মারা গেছে। পরোক্ষভাবে হচ্ছে-খাবারের ঘাটতি, দূষণযুক্ত পানি পান ইত্যাদির কারণে পানিবাহিত রোগ হচ্ছে। এ ছাড়া সাপের কামড়ে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যত্যয় ঘটে। এ সময় গর্ভকালীন মহিলাদের দুই ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন-বন্যার তারা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হন। একটু সমস্যা হলে তাদের গর্ভস্থ সন্তানের জন্য বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে ডেলিভারির সময়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াটা বিরাট চ্যালেঞ্জ হতে পারে। এই সময়ে দেশের অনেক স্বাস্থ্য কেন্দ্র পানিতে ডুবে যায়। ফলে সেখানে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা কঠিন হয়ে পড়ে।’

এ সময় স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ জানান, প্রত্যেক বছর বন্যার পানিতে ৬-৭ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায় এবং এটা অনেক সময় বেশিও হয়। এ সময় সাপে কামড়ে মারা যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং গর্ভকালীন পরিচর্যাও বিঘ্নিত হয়। বন্যার সময় হার্ট অ্যাটাক হলে হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবহন সমস্যা হতে পারে।

মেকাবেলা কি হতে পারে জানতে চাইলে আইইডিসিআরের সাবেক এই প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, ‘বন্যার সময় বাচ্চারা যেন পানিতে ডুবে মারা না যায়, সেজন্য আমাদের মায়েদের সতর্ক করতে হবে এবং তাদেরকে বিভিন্নভাবে সহায়তা দিতে হবে। বন্যার সময় যেসব মায়েরা বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করে। এক্ষেত্রে তাদের জন্য কিছু উদ্ভাবনীমূলক পদ্ধতি রয়েছে। যেমন-বাঁশ দিয়ে খাঁচার মতো করে বানিয়ে সেখানে বাচ্চাকে রাখা। এটি পরীক্ষামূলক পদ্ধতি, যা খুব ভালো কাজ করে। এই খাঁচাটি মায়ের কাছাকাছি রাখতে হবে, যেন মা বাচ্চাটি দেখতে পারে। বন্যার সময় আশ্রয়কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে, যেন তারা শিশুসহ অন্যান্য বিষয়ে নজর রাখতে পারে। এ ছাড়া বন্যার সময় সাঁপে কাটলে বিষটাকে নিষ্ক্রিয় করতে অ্যান্টিভেনম ওষুধ দিতে হবে। এগুলো বন্যা উপদ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মজুদ রাখতে হবে। সাপে কাঁটা রোগী হাসপাতালে গেলে তারা কি ব্যবস্থা নিবে, সেজন্য ডাক্তার এবং নার্সদের গাইডলাইন তৈরি করে দিতে হবে এবং প্রশিক্ষণ দিতে হবে। বন্যা উপদ্রুত এলাকায় জরুরি টিম গঠন করতে হবে। জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন টিমে যারা থাকবে, তারা এসব বিষয় খেয়াল রাখবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।’

কবলিত এলাকায় একদিনে ডায়রিয়া আক্রান্ত ৪৯২

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য ইউনিটের বন্যা বিষয়ক সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যা কবলিত বিভিন্ন জেলায় ৪৯২ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নেত্রকোণায় ৭৮, জামালপুরে ১৫, শেরপুরে ১৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৪, নীলফামারীতে ৫, লালমনিয়ারহাটে ২১, কুড়িগ্রামে ৩৫, সিলেটে ৪১, সুনামগঞ্জে ১৩৮, হবিগঞ্জে ৭৬ ও মৌলভীবাজার ৫৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এসব এলাকাগুলোতে ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ (আরটিআই), চর্মরোগ ও চোখের প্রদাহসহ বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

সর্বশেষ গেল বুধবার পানিতে ডুবে ২ জন, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহে (আরটিআই) ৪২ জন, চর্মরোগে ১৩০ ও চোখের প্রদাহে ৩২ জন আক্রান্ত হয়েছে। ২৮টি জেলার মধ্যে ৭০টি বন্যা দুর্গত উপজেলার ৪৩৭টি ইউনিয়ন বন্যায় আক্রান্ত।এসব এলাকায় মোট আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা এক হাজার ৮৬০টি। বর্তমানে ২৮ জেলায় দুই হাজার ৪৮টি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

গত ১৭ মে থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত আক্রান্ত জেলাগুলোতে পাঁচ হাজার ৭৩৬ জন ডায়রিয়া, ৩৫৩ জন আরটিআই, ১০ জন সাপের কামড়ে, ৫৪ জন পানিতে পড়ে, ৬১৩ জন চর্মরোগে, ১৭৬ জন চোখের প্রদাহে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া একই সময়ে বিভিন্ন রোগবালাই ও পানিতে ডুবে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ (আরটিআই), চর্মরোগ ও চোখের প্রদাহসহ বিভিন্ন রোগব্যাধিতে মোট আট হাজার ৬৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। আর একদিনে পানিতে ডুবে ও বিভিন্ন রোগে ৮৮৬ জন আক্রান্ত ও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বন্যা পরবর্তী কি কি স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, ‘বন্যা পরবর্তী সময়ে ডায়রিয়া, কলেরা ও চুলকানিসহ ইত্যাদি পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। তাই এ বিষয়ে এখন থেকে মনোযোগ দিতে হবে। তুলনামূলক কম উপদ্রুত এলাকা থেকে উপদ্রুত এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ করতে পারি। এ ছাড়া বড় বড় ট্যাংক বিভিন্ন উঁচু স্থানে রেখে সেখানে লড়ির মাধ্যমে কাছাকাছি পৌরসভা থেকে পানি সরবরাহ করা যেতে পারে। বর্তমানে ৪০ লিটারের পানির জার পাওয়া যায়। এগুলো ঢাকা থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় পর্যাপ্ত পৌঁছালে, ওই এলাকায় এক মাসের খাবার পানির সংস্থান হবে। এতে ডায়রিয়া আক্রান্তের ঝুঁকিটা কমে যাবে।

তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তীতে মানুষ পায়খানা করার সাথে সাথে পানিতে সহজে মিশে যায়। এক্ষেত্রে যদি কারও কলেরা থাকলে পানিটা দূষণযুক্ত হবে। পানি যতো কমবে কলেরার ঘনত্ব ততো বাড়বে, তখন কলেরা হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাবে। তাই এ সময় মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দিতে হবে। এক দিনে ১০-২০ লাখ মানুষকে কলেরার টিকা খাওয়ানো সম্ভব। শুরুতে প্রথম ডোজ খাওয়ার এক মাস পর দুই ডোজ টিকা খাওয়ালে বন্যা পরবর্তী কলেরা বা ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে শুকনো খবার দিতে হবে। যেসব খাবার সহজে নষ্ট হয় না। যদি শিশুদের খাদ্য ঘাটতি ঘটে, তাহলে তারা অপুষ্টিতে ভুগবে। এজন্য তাদের এক মাসের মধ্যে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হতে পারে। তাই এ বিষয়গুলো চিন্তা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে, বন্যা পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’

প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, বন্যা যখন শুরু হয়, তখন থেকেই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিটি সক্রিয় করা হয়। কিন্তু এই মুহূর্তে আপদকালীন কর্মপরিকল্পনা করা দরকার। বিভাগীয়, জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে একটি কমিটি করা দরকার। এই কমিটিকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া এবং তাদের প্রয়োজনে লোকবল দিতে হবে। প্রয়োজনে যেসব যানবাহন পানিতে চলতে পারে, সেগুলো দিতে হবে। এই মুহূর্তে এগুলো খুব দরকার। এ ছাড়া পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে স্যালাইন, ওরাল রিহাইড্রেশন সল্যুশনসহ (ওআরএস) বিভিন্ন ধরনের ওষুধ মজুদ রাখতে হবে।

 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি