ঢামেক অধ্যাপকের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলা, এনডিএফের প্রতিবাদ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নাক, কান, গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে শান্তিনগর এলাকায় প্রাইভেট চেম্বার শেষে সিএনজিযোগে বাসায় ফেরার পথে ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত ডা. আসাদুর রহমানের সিএনজির গতিরোধ করে হামলা চালায়। পরে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত চিকিৎসক হাসপাতালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জানান, কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর সিএনজির গতিরোধ করে হামলা চালায়।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, কোনো রোগীর চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান জানান, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী মামলা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন।
আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তারা বলেন, একজন চিকিৎসক, শিক্ষক ও স্বাস্থ্যসেবায় নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তির ওপর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। চিকিৎসকের ওপর হামলা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়; এটি দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা, চিকিৎসক সমাজ এবং নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের পরিবেশের ওপরও আঘাত।
তারা আরও বলেন, কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের ওপর হামলা, হুমকি কিংবা পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান গ্রহণযোগ্য নয়।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এনডিএফ। একই সঙ্গে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
এনডিএফের নেতারা দেশের সব হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করারও দাবি জানান।
এমআর/