লঞ্চে আগুন: শেবাচিম চিকিৎসক-নার্সদের ছুটি বাতিল
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে বরগুনাগামী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের সব চিকিৎসক, নার্স এবং স্টাফের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জরুরি বিভাগে সব রোগীকে ফ্রি টিকিটে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ, স্যালাইন, অক্সিজেন, বালিশ, বিছানা ও কম্বল সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া ব্লাড ডোনেশন ক্লাবগুলোকে বলা হয়েছে রক্ত সরবরাহের জন্য।
আজ শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এইচ এম সাইফুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে আগুনে দগ্ধ ৭২ জনকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালটির পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘চিকিৎসক না থাকায় দীর্ঘদিন আমাদের বার্ন ইউনিট বন্ধ রয়েছে, তবে সার্জারি ওয়ার্ডে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, নার্স এবং স্টাফদের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’
হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগুনে বেশিরভাগ রোগীই ৫০ ভাগ দগ্ধ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০ ভাগ দগ্ধ তিন শিশুসহ পাঁচজনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রেফার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকায় নেওয়ার পথে এক শিশু মারা গেছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন-সংলগ্ন নদীতে লঞ্চটিতে আগুন লাগে। ভোর ৫টা থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দগ্ধ রোগীরা আসতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৭২ রোগী এ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর মধ্যে পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের ৩ ও ৪ নম্বর ইউনিটে ৪০ জন, মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ২০ জন এবং শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে সাতজন।
এছাড়া অর্থোপেডিকস ওয়ার্ডে পাঁচজন ভর্তি হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৩৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। দগ্ধ হয়েছেন দুই শতাধিক লঞ্চযাত্রী। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃতের তালিকাটা লম্বা হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
-
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
-
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
-
২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
-
২৪ ডিসেম্বর, ২০২১
-
২৪ ডিসেম্বর, ২০২১
-
২৪ ডিসেম্বর, ২০২১