করোনা নিয়ন্ত্রণে সফলতার উদাহরণ বাংলাদেশ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মেডিভয়েস রিপোর্ট: সফলতার সঙ্গে বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলা করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কোভিড নিয়ন্ত্রণে সফলতার উদাহরণ হয়েছে। সব হাসপাতালে এখন অক্সিজেন সাপোর্ট আছে। সংক্রমণ কমে গেছে। এটা ধরে রাখতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা নিয়ন্ত্রণে টিকা কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ৭ কোটি, যা শতকরা ৬০ ভাগ মানুষ পেয়েছে। আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে সাড়ে ৪ কোটি, শতকরা হিসাবে তা ৩০ ভাগ।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের টার্গেট ১২ থেকে ১৩ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া। এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ৩০ ভাগ মানুষকে।’
করোনা টিকার বুস্টার ডোজ সবাইকে দিতে সুরক্ষা অ্যাপ আপডেট করা হচ্ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘এখন সীমিত আকারে দেয়া হচ্ছে ফ্রন্টলাইনারদের। টিকাগ্রহণের কার্ড নিয়ে ষাটোর্ধ্ব ও ফ্রন্টলাইনাররা টিকা দিতে পারবেন। এ মাসের শেষের দিকে অ্যাপসের মাধ্যমে তা শুরু হবে আগেরগুলোর মত। এখন তা নিয়ে কাজ করছে আইসিটি মন্ত্রণালয়।’
দেশে এখনও ওমিক্রন ছড়ায়নি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনো আমাদের দেশে সেভাবে ওমিক্রন ছড়ায়নি। প্রতিরোধে যেসব কাজ করতে হবে, সেদিকে আমাদের মনোযোগ বেশি। বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং করার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা পর্যন্ত করা হয়েছে। বর্ডারে একই ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেসব হাসপাতালে রোগী বেশি আছে, সেখানে জিনোম সিকোয়েন্স করা হচ্ছে। ওমিক্রম কারো শরীরে থেকে থাকতে তা শনাক্ত করা যাবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। শুধু ওমিক্রন নয়, করোনা তো আছে! ডেলটা ভ্যারিয়েন্ট থেকেও যদি আমরা রক্ষা পেতে চাই, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে—যে কাজটি আমরা করছি না। ইউরোপের অনেকগুলো দেশ লকডাউন দিয়েছে। আমরা আমাদের দেশে লকডাউন চাচ্ছি না।
কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে মানুষ মাস্ক না পরায় করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে জানান জাহিদ মালেক।
তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে মানুষ মাস্ক না পরেই ভিড় করছেন, রাজনৈতিক সমাবেশেও মাস্ক পড়ছে না মানুষ। এতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’