০৩ নভেম্বর, ২০২১ ০৮:৩১ পিএম

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল কোভ্যাক্সিন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেল কোভ্যাক্সিন
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন। আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, ৩ নভেম্বরকোভ্যাক্সিনকে জরুরি ব্যবহারযোগ্য টিকা হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ফলে অগণিত শিক্ষার্থীসহ এই টিকা নেওয়া কোটি কোটি ভারতীয় এবার বিভিন্ন দেশে প্রবেশের অনুমতি পেতে পারেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত এপ্রিলে টিকাটির অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছিল ভারত বায়োটক। পরে জুলাইয়ে টিকার সুরক্ষা, কার্যকারিতা, উৎপাদনস্থল পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পাঠানো হয়। তবে সংস্থাটির অনুমোদন পাওয়া যায়নি। এতে টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। 

গত সপ্তাহে ভারত বায়োটেকের কাছে কোভ্যাক্সিনের উপকারিতা ও ঝুঁকি চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য আরও কিছু তথ্যপ্রমাণ চায় টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ। স্বাধীন এই প্যানেলটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ করে থাকে। তাদের দেওয়া তথ্য ও সুপারিশের ভিত্তিতে কোভ্যাক্সিনকে অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

প্রসঙ্গত, ভারতে ব্যাপকভাবে কোভ্যাক্সিন টিকাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের দারি এই টিকা উপসর্গযুক্ত করোনা মোকাবিলায় শতকরা ৭৭ দশমিক ৮ ভাগ কার্যকর, এছাড়া শক্তিশালী ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেও টিকাটি ৬৫ দশমিক ২ ভাগ কার্যকর।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
তৃণমূলে নিরাপদ প্রসবে বড় প্রতিবন্ধক জনবল ও অবকাঠামো সংকট
ওজিএসবির ৩৪তম আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে বক্তারা

তৃণমূলে নিরাপদ প্রসবে বড় প্রতিবন্ধক জনবল ও অবকাঠামো সংকট

ওজিএসবির ৩৪তম আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে বক্তারা

তৃণমূলে নিরাপদ প্রসবে বড় প্রতিবন্ধক জনবল ও অবকাঠামো সংকট

সুস্থতায় সচেতন হওয়ার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের

প্রতি ১০০ পুরুষের ৮-১০ জন প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও
একদিনেই অবস্থান বদল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও