০১ অক্টোবর, ২০২১ ০৬:২৭ পিএম

প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে আগ্রহী ডেন্টালে দ্বিতীয় হওয়া আরিফ

প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে আগ্রহী ডেন্টালে দ্বিতীয় হওয়া আরিফ
আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান

২০২০-২১ সেশনের ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়েছেন ঢাকার দোহার উপজেলার কৃতিসন্তান আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান। সব বোর্ড পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ পাওয়া এ শিক্ষার্থীর ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত স্কোর ৯৪.২৫। আরিফ স্থানীয় ড্যাফোডিলস্ হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর রাজধানীর বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করে নেমে পড়েন ভর্তি প্রস্তুতির লড়াইয়ে। ধৈর্য ও পরিশ্রমের ভেলায় চড়ে পৌঁছে যান জয়ের বন্দরে। চমৎকার ফলাফলে উচ্ছ্বসিত আরিফ শোনালেন নিজের আশৈশব লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রত্যয়ী পরিকল্পনা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মো. মনির উদ্দিন।

মেডিভয়েস: গৌরবোজ্জ্বল এই অর্জনে আপনার অনুভূতি জানতে চাই। 

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: এজন্য প্রথমেই আল্লাহ তালার শুকরিয়া আদায় করি। কারণ তিনি আমাকে এত বড় একটি সফলতা অর্জনের জন্য রহমত দিয়েছেন। তাঁর অপার রহমতেই এটা সম্ভব হয়েছে। এই অর্জনে আমার সবচেয়ে খুশির বিষয় হলো আব্বু-আম্মুর হাসি, জাতীয় মেধায় আমার দ্বিতীয় হওয়ার খবরে তাদের মুখে যে হাসি দেখেছি, এটা ছিল আমার জীবনের বড় একটি পাওয়া। ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল সাদা এপ্রোন পরে জনগণের সেবা করবো, সব সময় তাদের পাশে থাকবো। এ ফলাফলের মাধ্যমে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেলাম, এটা আমার জন্য আরেকটি খুশির খবর। 

মেডিভয়েস: পরিবারের সদস্যরা এ অর্জন কিভাবে উপভোগ করছেন? 

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: এই ফলাফল আমার কাছে যেমন খুশি ও বিস্ময়ের, তেমনি পরিবারের সদস্যদের কাছেও আনন্দের। এক্ষেত্রে আব্বা-আম্মুর খুশির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। তারা চেয়েছিলেন, আমি চিকিৎসক হই; তো এ রকম খবরে তারা সীমাহীন খুশি হয়েছেন। আমার এ ফলাফলের মাধ্যমে তাঁদের যে স্বপ্ন ছিল, আল্লাহ চাইলে এটা পূরণ হতে যাচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষকরাও আমাদের এ রকম ফলাফলে খুশি। এ রকম সাফল্যের কথা জানতে পেরে তারা আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, শুভকামনা ব্যক্ত করেছেন। তাদের কাছ থেকে দোয়া পেয়েছি।

মেডিভয়েস: এ ফলাফল আপনাকে সামনে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন? 

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: জাতীয় মেধায় দ্বিতীয় হওয়া আমাকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে প্রথম হওয়ার বিষয়ে অনুপ্রাণিত করছে। আমি যেপথে এগুচ্ছি সেখানে বিভিন্ন বিভাগ আছে, আমি চেষ্টা করবো আমার বিভাগে প্রথম হওয়ার। যদিও আমি এখনও বিস্তারিত জানি না, তবে আস্তে আস্তে যখন বুঝতে পারবো এবং বিভাগগুলো সম্পর্কে জানতে পারবো, তখন যে বিভাগটি ভালো লাগবে—সে দিকেই যাবো। সেখানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো সেরা হওয়ার। মানুষকে সেবা দিয়ে, তাদের মন জয় করে, আমি সেরা হতে চাই। এভাবে সর্বত্র নিজেকে প্রথম রাখতে চাই। আর এর মাধ্যমে অর্জন করতে চাই মানুষের ভালোবাসা। নিজেকে কাঙ্ক্ষিত বড় পর্যায়ে নিয়ে যেতে না পারলে বড় পরিসরে সেবা দেওয়া সম্ভব না। আমাকে যখন অনেক মানুষ জানবে, তখনই কেবল একটি বার্তা দেওয়া সম্ভব।

মেডিভয়েস: পরীক্ষার প্রস্তুতি ও কৌশল সম্পর্কে জানতে চাই।  

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: কোনো কিছু অর্জন করতে গেলে সীমাহীন ধৈর্য দরকার। ধৈর্য সহকারে কোন বিষয়ের পেছনে লেগে থাকলে, অবশ্যই ভালো একটি ফল পাওয়া যায়। একটি কথা প্রচলিত আছে—‘পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না’ বা ‘পরিশ্রম কখনো বেইমানি করে না।’ আমি মনে করি, নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রম, ধৈর্য আর সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস থাকলে সফলতা অর্জন করা যায়। একটি কথা আছে ‘ওয়েল বিগান ইজ হাফ ডান’, … তো আমি মাথায় রাখতাম, শুরুটা ভালো হতে হবে। শুরুটা ভালো হলে শেষটা অবশ্যই ভালো হবে। এটি মাথায় রেখেই লক্ষ্য নির্ধারণ করতাম, এই কাজটা আমি এভাবে করবো আর এ সময়ের মধ্যে শেষ করবো। এর পর শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি পড়ার টেবিল ছাড়বো না। আর এভাবে যখন লক্ষ্য পূরণ হতো, তখন নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে যেতো। আত্মবিশ্বাস যখন বাড়বে, তখন স্বাভাবিকভাবেই পড়াশোনায় মনোযোগ বেড়ে যাবে। এভাবে আস্তে আস্তে পড়াশোনার বিষয়গুলো গুছিয়ে নেয়া যায়। এসবের পাশাপাশি বাবা-মার দোয়াও ছিল।

আরেকটি বিষয়, ডেন্টাল-মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সবার প্রস্তুতি ভালই থাকে, এখানে পার্থক্য ঊনিশ-বিশ হতে পারে। এদিক থেকে যারা একটু কৌশলী ভূমিকা পালন করে, বিভিন্ন স্ট্যাটেজি অনুসরণ করে—এক্ষেত্রে সময়জ্ঞান হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং সময় জ্ঞানে যিনি যত বেশি কৌশলী, তিনি তত সফল হবেন। এজন্য বাসায় বেশি বেশি অনুশীলন করতে হবে। সেইসঙ্গে টেক্সট বইয়ের দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। টেক্সট বই বারবার পড়ার মাধ্যমে প্রস্তুতি শাণিত করতে হবে।

একটি অধ্যায় শুরু করার আগে প্রশ্ন ব্যাংক নিয়ে একটি পর্যালোচনা করলে, কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্নগুলো আসছে, সেটা সহজে বোঝা যায়। এতে পড়াটা গুছিয়ে নেওয়া আরও সহজ হয়। আমি আমার প্রস্তুতিটা এভাবেই সম্পন্ন করি।

মেডিভয়েস: মেডিকেলে পড়ার অনুপ্রেরণা কোথায় পেয়েছেন? 

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিল আমি ডাক্তারি পড়বো। কারণ তখন পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে মনে হতো—আমি যদি চিকিৎসক হই, তাহলে সহজে তাদের সেবা দিতে পারবো। আশপাশের অসুস্থ রোগীদেরও এ সেবা দিতে পারবো। অন্তত তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হবে। এটি আমাকে সবসময় ভাবাতো। এটি আমাকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। আর এ কারণে আমি চিকিৎসক হওয়ার পথ বেছে নিই। প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে গ্রামের মানুষের অতটা ধারণা থাকে না। সুতরাং আমার চেষ্টা থাকবে, গ্রামের মানুষকে এ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং তাদের সচেতন করে তোলা। এটা এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে, সাধারণ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে ধারণা থাকলে এর কল্যাণে একটি প্রাণও বেঁচে যেতে পারে। 

মেডিভয়েস: পড়াশোনার ক্ষেত্রে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোচিং—কাকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: পড়াশোনায় ভূমিকার ব্যাপারে কাউকে আগে-পরে আনা যাচ্ছে না। কারণ সবার গুরুত্বই আমার কাছে সমান বলে মনে হয়। আব্বু-আম্মু যেমন আমার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তেমনিভাবে শিক্ষক-শিক্ষিকার পাশাপাশি কিছু বড় ভাইদের পরামর্শও ছিল। এভাবে সবার সম্মিলিত পরামর্শ ও আন্তরিক পাঠদানের কল্যাণেই এতদূর আসতে পেরেছি। একটু একটু সহযোগিতায় এক সময় অনেক বড় কিছু অর্জন করা সম্ভব হয়ে যায়। 

আব্বু প্রবাসে থাকায় অত বেশি ভূমিকা রাখতে পারেননি। তিনি বলতেন, যথাসম্ভব চেষ্টা চালিয়ে যাও এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখো। আল্লাহ যা করবেন, অবশ্যই ভালোর জন্যই করবেন। এ কথাটি আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করতো। সবার মনে একটা ভীতি কাজ করে, পরীক্ষাটা যথাযথভাবে দিতে পারবো কিনা! কিংবা পরীক্ষায় কিভাবে ভালো করবো, ফলাফলই বা কি হবে? যখন আমি মনে করতাম যে, আল্লাহ ভরসা; তখনই আমার কাছে একটু নির্ভার লাগতো। আমি ভাবতাম, আমি তো পরিশ্রম করেছি বাকিটা আল্লাহ ভরসা। পরিশ্রম অনুযায়ী পরীক্ষাটা দেবো। 

আম্মু সাথেই থাকতো। আমার অভ্যাস হলো রাত জেগে পড়া। তাহাজ্জুত ও ফজর পড়ে ঘুমিয়ে পড়তাম। আম্মু আগে ঘুমিয়ে যেতেন, রাত এগারো-বারোটার দিকে। আড়াইটার দিকে দেখতাম আম্মু উঠে গেছে, আমার পড়াশোনার খোঁজ-খবর নিতে। বলতেন, এভাবে কষ্ট করতে হবে না, ঘুমিয়ে পড়ো; আম্মু তাহাজ্জুদ পড়ে আমার জন্য দোয়া করতো, আমাকে অনুপ্রাণিত করতো। ভালো ফলাফলে আম্মুর অবদান অনেক বেশি। কোনো কারণে আমি যখন হতাশা অনুভব করতাম, আম্মুকে বললে আমাকে সাহস যোগাতো। আমাকে বলতো তুমি যেটা চাচ্ছো, এর জন্য চেষ্টা করো, অবশ্য ভালো কিছুই হবে। আব্বু-আম্মুর অনুপ্রেরণার কারণেই আমি এতদূর আসতে পেরেছি।  

দোহারে ডেফোডিলস্ স্কুলের অধ্যক্ষ স্যার ছিলেন আব্বুর ক্লাসমেট। এ ছাড়া ছোটবেলা থেকে পড়াশোনায় ভালো হওয়ায় স্কুলে আমার ভালো পরিচিতি ছিল। কলেজ থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরও বাড়ি আসলে অধ্যক্ষ স্যার ডেকে পড়াশোনার অগ্রগতি জানতে চাইতেন, নানা পরামর্শ দিতেন। ভর্তি পরীক্ষার সময় ফোন দিয়ে বলতেন, ফলাফল জানাবে। বিষয়টি খুব ভালো লাগতো। আমার ভালো করার পেছনে স্যারের আগ্রহ আমাকে অনুপ্রাণিত করতো। ভাবতাম, তাঁদের জন্য হলেও আমাদের ভালো কিছু করতে হবে। 

কোচিংয়ের ভাইদেরও ভূমিকা ছিল। কোচিং একটি গাইডলাইনের মতো, কোচিং একটি পথ দেখিয়ে দিতে পারে, কিন্তু পথ আমাদেরই হাঁটতে হবে। পথ দেখিয়ে দেওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারও দেখানো একটি সুন্দর পথ ধরে এগুতে থাকলে সুন্দর কিছুই পাওয়া যায়। এই পথ দেখিয়ে দেয়ার ব্যাপারে তারা যে ভূমিকা রাখেন, সেটা নিশ্চয়ই ভালো এবং প্রশংসার যোগ্য। কোচিংয়ের ভাইয়েরা যেহেতু আমাদের সময় অতিক্রম করে এসেছেন, সে কারণে এ ব্যাপারে তাদের অভিজ্ঞতা বেশি থাকে। তারা বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে আমাদেরকে জানান, এটা করলে ভাল হবে, এটা এড়িয়ে চললে ভালো ফল আসবে। পরীক্ষার হলে সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিতেন, এটি ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মেডিভয়েস: করোনার বিপর্যস্ত সময়ে প্রস্তুতির ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন কিভাবে?    

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: করোনায় সবার মধ্যে একটি ভীতি কাজ করতো, রীতিমতো প্রাণহানির আশঙ্কা। প্রথমদিকে বিষয়টি আমাকেও আতঙ্কিত করতো। আম্মু সাথে থাকায় এদিক থেকে আমি অনেকটা নিরাপদ ছিলাম। সবসময় আমাকে সাহায্যের পাশাপাশি দেখাশোনা ও অনুপ্রাণিত করতো আম্মু। হোস্টেলে থাকলে তা কখনো সম্ভব হতো না। হোস্টেলে একা একা অবস্থানের কারণে ভীতি কাজ করলে বিষয়টি কাউকে জানানোর সুযোগ পেতাম না।

মহামারীতে ভর্তি পরীক্ষা যথাসময়ে হচ্ছিল না, ক্রমাগতভাবে পিছিয়ে যাচ্ছিল—এটি কি আমাকে হতাশ করেছিল। পরক্ষণে ভাবতাম, আল্লাহ হয়তো চাচ্ছেন, আমার প্রস্তুতিটা আরেকটু সুন্দর হোক। পড়াশোনা আরেকটু গুছিয়ে নেই, এজন্য তিনি আমাকে আরো সময় দিয়েছেন। এভাবে আমি নিজেকে অনুপ্রাণিত করতাম, উজ্জীবিত রাখতাম। 

মেডিভয়েস: অবসর কিভাবে কাটে? 

আরিফুল ইসলাম রেদওয়ান: ছোটবেলায় নিয়মিত খেলাধূলা করতাম। কিন্তু ভর্তিপরীক্ষার কারণে খেলাধূলা করার সুযোগ হয়ে ওঠে না। তবে সুযোগ পেলে স্কুল জীবনের চার-পাঁচজন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করি, আলাপ-আলোচনা করি। বিকেল বেলায় বাইরে হাঁটাহাঁটি করতে ভালো লাগে। প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটাহাঁটি করলে অনেকটা প্রশান্তি পাওয়া যায়, স্বস্তি মেলে। এভাবে সময় কাটালে মনটা ভালো হয়ে যায়, পরবর্তীতে গভীরভাবে পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে সুবিধা হয়। এছাড়াও অবসরে আমি ছাত্রদের উপযোগী শিক্ষণীয় মুভি দেখি, চেষ্টা করি এখান থেকে ভালো কোনো বার্তা গ্রহণ করার। ভালো মুভিগুলোতে একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা থাকে, যা আমাকে অনুপ্রাণিত করে।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি