নির্যাতন: মুক্তাগাছায় মামলা তুলে নিতে চিকিৎসককে হুমকি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর স্বজনদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলা তুলে নিতে নির্যাতিত চিকিৎসক এএইচএম সালেকিন মামুনকে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে নির্যাতনের ঘটনাটি মীমাংসারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আজ শুক্রবার (৯ জুলাই) বিভাগীয় পরিচালক ডা. শাহ আলম এ প্রস্তাব দেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ডা. মুস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘আজকে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের এপিএস ডাক্তার মীর আনোয়ার হোসেন ফারুক ভাই প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ডা. সালেকিনকে প্রগ্রেসিভ মডেল স্কুলে দেখা করতে বলেন। সালেকিন একা যেতে সাহস না পেয়ে আমাকে সাথে যেতে বলেন। আমি সালেকিন ও মুক্তাগাছার দুজন ডাক্তার সেখানে যাই। গিয়ে শুনি সিভিল সার্জন স্যার মুক্তাগাছার মেয়র এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উনারাও আসবেন। সকলে উপস্থিত হয় এবং সকলে মিলে একটা মিচুয়াল করতে বলে। কিন্তু আমরা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি, এখানে মিচুয়াল করার কোনো প্রশ্নই আসে না। মামলা করা হয়েছে এবং মামলা তার নিজস্ব গতিতে আগাবে।’
তিনি অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচারের জন্য সোচ্চার স্বাস্থ্য ক্যাডারের কেউ কেউ ভিন্ন সুরে কথা বলছেন এবং ঘটনাটি মীমাংসার জন্য নানাভাবে চাপ দিচ্ছেন।
পোস্টে নির্যাতি চিকিৎসক সালেকিন মামুনের পাশের থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রয়োজনে মাঠে নামার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই দুপুরে যুবলীগ নেতা মাহবুবুল হক মনি মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক সালেকিনকে বাসা থেকে তার মায়ের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা আনতে বলেন। ততক্ষণে তার দায়িত্ব শেষ হওয়ায় পর দিন নমুনা এনে পরীক্ষা করার কথা বলেন তিনি। তখন ক্ষিপ্ত হয়ে ডা. সালেকিনকে মারধর করেন মাহবুবুল হক মনি। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই একটি মামলা করা হয়।
এর পর দিন যুবলীগ নেতা মনিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্যরা হলেন: কামরুজ্জামান, জুয়েল, রানা দে ও শরীফ। পরে তাদের সবাইকে আদালতে পাঠানো হয়।
-
২৬ অগাস্ট, ২০২৪
-
১১ মার্চ, ২০২৩
-
০১ মার্চ, ২০২৩
-
০১ মার্চ, ২০২৩
-
১৪ মার্চ, ২০২২
-
১৯ অগাস্ট, ২০২১
-
১১ অগাস্ট, ২০২১
-
০৮ অগাস্ট, ২০২১
-
২৭ জুলাই, ২০২১