ডা. মো. তাহমিদুল ইসলাম তমাল
সহকারী কমিশনার এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, খুলনা
(৩৭তম বিসিএস প্রশাসনে মেধা তালিকায় তৃতীয়)
সাবেক সহকারী সার্জন (৩৫তম বিসিএস )
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (২০০৮-০৯)
২৮ এপ্রিল, ২০২১ ০১:০৪ এএম
খুলনা শিশু হাসপাতালে চালু হলো অত্যাধুনিক স্ক্যানু, পূর্ণাঙ্গ এনআইসিইউ চালু অচিরেই
১৯৮০ সালে খুলনা শিশু ফাউন্ডেশনের একটি প্রকল্প হিসেবে খুলনা শিশু হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়। স্থানীয় লোকহিতৈষী ব্যক্তিবর্গ, প্রশাসন এবং চিকিৎসকবৃন্দের যৌথ প্রচেষ্টায় খুলনা শিশু হাসপাতাল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিশুদের চিকিৎসার আশ্রয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় কম খরচে উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদানের ফলে খুলনা এবং খুলনার আশপাশের জেলাগুলোর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার ভারও শিশু হাসপাতাল সফলভাবে বহন করছে প্রায় চার দশক ধরে।
করোনাভাইরাস মহামারীতেও নিরবচ্ছিন্নভাবে শিশু রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে খুলনা শিশু হাসপাতাল।

বর্তমানে শিশু হাসপাতাল পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে জেলা প্রশাসন, খুলনা। চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়নের সকল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানে। তারই ধারাবাহিকতায় লনা শিশু হাসপাতালে চালু হয়েছে ১২ বেড, ১২টি ওয়ার্মার, ১টি ইনকিউবেটর, ২টি সি-প্যাপ মেশিন, ১টি ভেন্টিলেটর, ৪টি ফটোথেরাপি মেশিন, ৬টি হিটিং ল্যাম্প সম্বলিত অত্যাধুনিক SCANU (Special Care Newborn Unit)।
প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান আছে, লোকবল এবং কিছু যন্ত্রাংশ ক্রয়ের পর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই চালু হবে পূর্ণাঙ্গ এনআইসিইউ (NICU-Neonatal Intensive Care Unit)। এনআইসিইউ এটি চালু হলে এলাকার মানুষের দুর্ভোগ অনেক কমে যাবে। এই এলাকা থেকে শিশু রোগী ঢাকা যাওয়ার যে ভোগান্তি তা কমবে। চিকিৎসার জন্য ঢাকা যাওয়ার পথে শিশুরোগী মৃত্যুর সংখ্যাও কমে আসবে।

এছাড়া তুলনামূলক স্বল্প মূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদানের ফলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীও সহজেই উন্নত সেবা গ্রহণ করতে পারবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত সিড মানি এ শিশু হাসপাতালের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে সর্বাধিক ভূমিকা রেখেছে। এই উদ্যোগটি মুলত সিড মানি, USAID এবং খুলনা শিশু হাসপাতালের নিজস্ব অর্থায়নের মাধ্যমে সম্ভবপর হয়েছে।
খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্ভাবনী নেতৃত্বের হাসপাতালটি ইতিমধ্যে এই এলাকার আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠছে।
খুলনা জেলা প্রশাসন ও খুলনা শিশু হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ হাসপাতালকে আরও আধুনিক চিকিৎসাসেবাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে যে কর্মপ্রয়াস অব্যহত রেখেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
-
২২ এপ্রিল, ২০২৬
-
২৭ এপ্রিল, ২০২৫
-
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
ইউজিসি-ইউনেস্কোর যৌথ প্রকল্প
‘মানসিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া ১০ হাজার শিক্ষার্থী’
-
১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
-
১৬ অক্টোবর, ২০২৪
-
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
-
১৭ এপ্রিল, ২০২৪