১২ নভেম্বর, ২০২০ ১১:৪৩ এএম

সিওমেক হাসপাতালে শুরু হচ্ছে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারি

সিওমেক হাসপাতালে শুরু হচ্ছে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: কানে কম শোনা রোগীদের চিকিৎসায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ (সিওমেক) হাসপাতালে শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট সার্জারি। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট প্রকল্পের অধীনে চলতি অর্থবছরে হতে যাওয়া এ প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ১০ নভেম্বর মেডিকেলের কনফারেন্স রুমে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সিওমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইউনুসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রকল্পের কর্মসূচি পরিচালক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নাক-কান-গলারোগ বিশেষজ্ঞ ডা. নুরুল হুদা নাঈম। 

বধিরতা দূরীকরণে এমন একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সিলেটবাসীর পক্ষ থেতে প্রথমে সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডা. নাঈম। একই সাথে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী, কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ময়নুল হক, হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইউনুসুর রহমান, উপপরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় এবং সহকারী পরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। 

ডা. নাঈম বলেন, ‘আমাদের এখন লজিস্টিক সাপোর্ট প্রয়োজন। প্রকল্পের অংশ হিসেবে কক্লিয়ার ইমপ্ল্যান্ট অপারেশন থিয়েটার, হিয়ারিং সেন্টার, অডিটরি ভারবাল থেরাপিস্ট রুম এবং কাউন্সিলিং রুমের কাজ অচিরেই শুরু হবে। সিলেটবাসীর জন্য অপেক্ষা করছে এক সুবর্ণ সুযোগ। 

সভাপতির বক্তব্যে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘আমাদের পক্ষ হতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সকল সাপোর্ট থাকবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমাদের প্রয়োজন ট্রেইন্ড চিকিৎসক, অডিওলজিস্ট ও অডিটরি ভারবাল থেরাপিস্ট। বিভিন্ন কমিটি গঠন করে খুব শীঘ্রই প্রকল্পের বাকি কাজ সম্পন্ন হবে।’

সিলেটবাসীর জন্য এমন একটি সুযোগ প্রদানের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকল সহযোগিতার আশ্বাস দেন হাসপাতাল উপপরিচালক জনাব ডা. হিমাংশু লাল রায়।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন নাক-কান-গলারোগ ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের সকল চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তাগণ। 

প্রসঙ্গত, বিশ্বজুড়ে প্রতি হাজারে দুইজন শিশু বধিরতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। সে হিসাবে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ হাজার ৬০০ শিশু বধিরতা নিয়ে জন্মায় এবং প্রায় সমসংখ্যক জনগোষ্ঠী শ্রবণশক্তি নিয়ে জন্মালেও জীবদ্দশায় কোনো না কোনো সময় বধিরে পরিণত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে বাংলাদেশে বধিরতার হার শতকরা নয় দশমিক ছয় ভাগ।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত