এফসিপিএস পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৬ জুন: বিসিপিএস
মো. মনির উদ্দিন: জুলাই ২০২০ সেশনে অনুষ্ঠেয় এফসিপিএস পরীক্ষার বিষয়ে আগামী ১৬ জুন কাউন্সিলরদের মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) অনারারি সচিব অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুরে মেডিভয়েসকে বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি আরও বলেন, ‘কলেজের ২০ জন কাউন্সিলর আগামী ১৬ জুন মিটিংয়ে বসবেন। তাঁরা এ নিয়ে (এফসিপিএস পরীক্ষা) কি করতে চাচ্ছেন—এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।’
রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোর বিষয়ে আপনাদের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমি প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছি। তিনি একা কিছু করতে পারবেন না। তিনি যদি বিষয়টি বিবেচনা করেন, তাহলে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেবেন। তবে এ নিয়ে কি হতে যাচ্ছে সেটা বলতে পারবো না। আমার একার পক্ষে কোনো কিছু করার ইখতিয়ার নাই।’
অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাননি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি এ সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে না পারে, অথবা সময়ের আবেদন করে, তাহলে হয় তো কর্তৃপক্ষ বাড়তি সময় দিতে পারে। তবে আমি এখনো পর্যন্ত এ জাতীয় কোনো নির্দেশনা কলেজের কাউন্সিলরদের কাছ থেকে পাইনি।’
অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে অনেকেই জটিলতায় পড়ছেন, সেখানে অনেককে ইনভেলিড দেখাচ্ছে। কোন উপায়ে এটি সমাধানের চিন্তা করছেন—এমন প্রশ্নোত্তরে তিনি বলেন, ‘কিছুটা সমস্যা হতে পারে, যেহেতু আমরা বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশনসহ অনেকগুলো বিষয় বাদ দিয়েছি। এখন শুধু এমবিবিএস মার্কশিট, ইন্টার্ন কমপ্লিশনের সার্টিফিকেট থাকলেই হবে। আসলে এ জাতীয় তথ্যগুলো তো আগে সেট করা থাকে। কারও এ ধরনের সমস্যা হলে এডমিনিস্ট্রেশনের যাদের নম্বর দেওয়া আছে, তাদের ফোন দিলে নির্দেশনা দিয়ে দেবেন। এখানে কতগুলো ফোন নম্বর দেওয়া আছে, এগুলো খোলা। সেখানে কর্তব্যরত যারা আছেন, তারা প্রতিটি ফোনই ধরবেন।’
ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি লাঘবে বিকাশ বা রকেট অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আলাদা করে বিকাশ বা রকেট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আমরা চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সেটা করা যাচ্ছে না। এরপর আমরা চাইলাম, অনলাইনের আমাদের যে পেমেন্ট সিস্টেম আছে, এ সিস্টেমের মধ্যে বিকাশ বা রকেটের অ্যাকাউন্টটা যুক্ত করে দিতে। এজন্য আমরা সংশ্লিষ্টদের ডেকেছিলাম। তারা এটি করতে পারবেন বলে জানালেন। এজন্য তারা দুই সপ্তাহ সময়ে চান। এতো সময় নিলে তো আমরা কোনোভাবে উপকৃত হচ্ছি না। শিক্ষার্থীরা কোনো সুবিধা পাচ্ছে না। এছাড়া এখানে বর্ধিত ট্রানজেকশন ফির একটা অংশ শিক্ষার্থীদের ওপর পড়বে, যা একেবারেই কাম্য না। ফলে শিক্ষার্থীদের আপাতত ব্যাংকেই যেতে হচ্ছে।’
সংশোধিত পরীক্ষা পদ্ধতি থেকে সরে আসার বিষয়ে বিসিপিএস অনারারি সচিব বলেন, ‘এখানে অনেকগুলো আপগ্রেডেশন ছিল। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নতুন পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র তৈরি করার কথা ছিল। এখানে শর্ত ছিল—এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের অবহিত করেই তা করা হবে। এজন্য ওয়ার্কশপ জরুরি ছিল। এটি সামনের রেখে অনেকগুলো ওয়ার্কশপের পরিকল্পনাও ছিল আমাদের। বিশেষ করে যারা প্রশ্ন করবেন তাদেরকেও এ ব্যাপারে ধারণা দেওয়া দরকার ছিল। করোনার কারণে আমরা কিছুই করতে পারিনি। আমাদের ইচ্ছা ছিল শিক্ষকদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কিছু মক পরীক্ষা নেওয়ার, যাতের শিক্ষার্থীরা এ ধরনের প্রশ্নের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে। হঠাৎ করে নতুন একটি প্রশ্ন চাপিয়ে দিলে তো অকৃতকার্যের হার আরও বেড়ে যাবে। যেহেতু আমরা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারিনি, সুতরাং পুরনো যে পদ্ধতিতে তারা অভ্যস্ত সে পদ্ধতিতেই পরীক্ষা হবে।’
করোনার কারণে সৃষ্ট অনিশ্চতায় জানুয়ারি ২০২১ সেশনেও নতুন পদ্ধতি প্রয়োগের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
-
০৪ জুন, ২০২৬
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’
-
০২ জুন, ২০২৬