শের-ই-বাংলা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বহনকারী বাস খাদে, আহত ২০
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাস খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দাউদকান্দি উপজেলার জিংলাতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার শিকার বাসটিতে প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁরা কলেজের বার্ষিক ভ্রমণের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নূর উদ্দিন বাহার গণমাধ্যমে জানান, সোমবার রাতে শেবাচিমের শিক্ষার্থীরা সেন্টমার্টিন পরিবহনের চারটি বাসে করে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ভোরে জিংলাতলী এলাকায় পৌঁছালে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসে থাকা শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
এএসআই নূর উদ্দিন বাহার বলেন, দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৪০ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২০ জন আহত হয়েছেন। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে। গুরুতর আহত নয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীরা হলেন যাওয়াত, ফেরদৌস, কৌশিক, মিরাজ, মুরসালিন, ইমন মৃধা, আরিফ, শফিকুল ইসলাম, মালিহা মেহনাজ, রায়হান, সাজিয়া, তাসপিয়া, আরিফুল ইসলাম, সামিউল, রাজর্ষি, তাসনীম, হুমায়রা, মিলা, নিসা ও তানজিনা।
বার্ষিক ভ্রমণের জন্য শিক্ষার্থীরা চারটি বাসে করে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। পথে একটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় ভ্রমণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার কারণে আহতদের চিকিৎসার আওতায় নেওয়া সম্ভব হয়।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের চোয়ালের হাড় ভেঙে যাওয়া, মাথায় আঘাত এবং নাক দিয়ে রক্তক্ষরণের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এছাড়া যাদের গুরুতর সমস্যা নেই, তাদেরকে একসাথে বাসে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এনএইচ/