১৯ মে, ২০২৬ ১০:৩৯ পিএম

দেশে থাইরয়েডজনিত রোগে ভুগছে ২০ ভাগ মানুষ, প্রতি ৭ জনে নারী ৫

দেশে থাইরয়েডজনিত রোগে ভুগছে ২০ ভাগ মানুষ, প্রতি ৭ জনে নারী ৫
ছবি: মেডিভয়েস

মেডিভয়েস রিপোর্ট: শরীরের বিপাকক্রিয়া, রক্তচাপ, ওজন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা থাইরয়েড গ্রন্থির সামান্য জটিলতা মানবদেহে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্বজুড়ে নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত থাইরয়েডজনিত রোগ দিন দিন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। দেশে প্রায় ২০ ভাগ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে, যার প্রতি ৭ জনে ৫ জনই নারী। আক্রান্তদের ৬০ শতাংশই রয়েছে চিকিৎসা সেবার বাইরে। আর প্রতি দুই হাজার ৩০০ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। 

বিশ্ব থাইরয়েড দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) নিনমাস কনফারেন্স রুমে আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। 

থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে জনমনে ইতিবাচক ধারণা তৈরির লক্ষ্যে এর আয়োজন করে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)।

আগামী ২৫ মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস সামনে রেখে ‘আন্তর্জাতিক থাইরয়েড সচেতনতা সপ্তাহ’ উপলক্ষে এ আয়োজনে দেশের খ্যাতিমান থাইরয়েড বিশেষজ্ঞরা রোগটির বর্তমান পরিস্থিতি, ঝুঁকি, প্রতিরোধ এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।

বৈঠকে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডা এ কে এম ফজলুল বারী।

তিনি বলেন, থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের হরমোন (টি৩, টি৪) নিঃসরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা শরীরের বিপাক হার, হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, ওজন এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কিন্তু এই ছোট্ট গ্রন্থিতে জটিলতা দেখা দিলে শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই গ্রন্থিকে কেন্দ্র করে হাইপোথাইরয়ডিজম, হাইপারথাইরয়ডিজম, গয়টার, থাইরয়েড ক্যানসারসহ নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে।

বিশ্ব থাইরয়েড দিবস পালনের উদ্দেশ্যসমূহ হলো—আপনার থাইরয়েড, আপনার সুরক্ষা, প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয়ের জন্য জনসচেতনতা তৈরি করা এবং রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সচেতনতা সৃষ্টি, থাইরয়েড রোগের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যানগত ধারণা প্রদান, মা-বাবার থাইরয়েডজনিত সমস্যা থাকলে সন্তানের ৭০% হওার আশঙ্কা থাকে। তবে থাইরয়েড ছোঁয়াচে রোগ নয়।

আক্রান্ত ৬০ শতাংশই চিকিৎসার বাইরে

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ ভাগ মানুষ থাইরয়েড গ্রন্থির নানা রোগে ভুগছে। প্রতি ৭ জন রোগীর ৫ জনই নারী। আক্রান্ত ব্যক্তির ৬০ শতাংশই চিকিৎসা সেবার আওতায় নেই। প্রতি দুই হাজার ৩০০ শিশুর মধ্যে একজন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। 

গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে সভায় জানানো হয়, থাইরয়েড রোগ বিস্তারে বংশগতির প্রভাব রয়েছে, বিশেষ করে দাদী, নানী বা মায়ের থাইরয়েডে সমস্যা থাকলে ৭০ ভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের ও আত্মীয়-স্বজনদের থাইরয়েড সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

থাইরয়েড রোগী আছে, এমন পরিবারের সকল সদস্যকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে থাইরয়েড নির্ণয়ের জন্য আহ্বান জানান বক্তারা। বৈঠকে জানানো হয়, ছয় ভাগ রোগী সাব-ক্লিনিক্যাল হাইপোথাইরয়ডিজমে ভুগছে, যার অধিকাংশই থাইরয়েডে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে অবগত নন। তাই তাদেরকে সচেতন করা জরুরি। কারণ নীরব ঘাতক থাইরয়েড তাদের শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোগের শুরুতে থাইরয়েড রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব।

থাইরয়েড রোগী তথা দেশবাসীকে স্বল্পমূল্যে থাইরয়েড সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সোসাইটির সভাপতি। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড সমস্যা নির্ণয় করা গেলে তা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু সচেতনতার অভাব, উপসর্গ উপেক্ষা করা এবং সময়মতো পরীক্ষা না করানোর জন্য অনেক সময় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। থাইরয়েড সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এখন সময়ের দাবি।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। এখন দরকার সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা।

চার সময়ে থাইরয়েড পরীক্ষা জরুরি

নিনমাসের পরিচালক জানান, জীবনে চারটি সময়ে অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজন। যথা—জন্মের পর-পরই, বয়ঃসন্ধিকালে, মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে ও বয়স ৫০ হওয়ার পর-পরই।

অধ্যাপক ডা. বারী বলেন, থাইরয়েড চিকিৎসায় নতুন পদ্ধতি ‘রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি’ ও ‘মাইক্রোওয়েভের’ মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোনো কাঁটা ছেড়া ছাড়া শুধু সুইয়ের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়; তাতে রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন পড়ে না, কিংবা রোগীর হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন পড়ে না এবং এই পদ্ধতির কোনো বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, খরচও কম হবে।

টিউমার অ্যাবলেশনের পদ্ধতি রোগীদের থাইরয়েড সমস্যা ও লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় অবদান রাখবে বলেও মনে করেন তিনি।

বৈঠকে থাইরয়েড রোগ সংক্রান্ত চারটি গবেষণার প্রাপ্ত ফলাফলের সারমর্ম সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

হাইপোথাইরয়েডে কমে বুদ্ধিমত্তা

সোসাইটির সহ সভাপতি ডা. শাহজাদা সেলিম বলেন, ‘পৃথিবীতে ৫৮৯ মিলিয়ন ডায়াবেটিসরে রোগী আছে। থাইরয়েডের রোগীও প্রায় কাছাকাছি। কিন্তু ডায়াবেটিসের রোগীর সংখ্যা যতটা সহজে বলা যাচ্ছে, থাইরয়েডের ক্ষেত্রে যাচ্ছে না। কারণ আমাদের নিজস্ব কোনো গবেষণা নেই। আমরা বলছি, বাংলাদেশে ২০ শতাংশের মত, সে অনুযায়ী ৩ থেকে ৪ কোটি মানুষ এতে ভুগছেন। কিন্তু এটি কেন জানি এড়িয়ে যাচ্ছি আমরা। বিএমইউ হাসপাতালে যেসব মায়েরা চিকিৎসা করাতে আসেন, তাদের অন্তত ৮ শতাংশ হাইপোথাইরয়েডের রোগী। এটির কারণে মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তা কমে যায়। এখন দরকার শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা। এজন্য ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

সচেতনতায় গণমাধ্যমকর্মীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান

বিএইচআরএফ সেক্রেটারি মুজাহিদ শুভ বলেন, স্বাস্থ্য সাংবাদিকতা নিয়ে যারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেন, তারা হয়ত থাইরয়েডের বিষয়ে কিছুটা জানেন কিংবা সচেতন। কিন্তু প্রান্তিক অঞ্চলের তথা ঢাকার বাইরে জেলা শহরে কাজ করা গণমাধ্যকর্মীরা এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ না পাওয়ায় সেভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন না। কাজেই কর্মসূচিগুলোও শুধু ঢাকায় না, স্থানীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমকর্মীদেরও সম্পৃক্ত করা উচিত। সমন্বিত উদ্যোগে যেহেতু থাইরয়েড সমস্যার সমাধান করা যায়, তাই কতজন মানুষ এ সম্পর্কে জানে সেটা গুরুত্বপূর্ণ।

গোলটেবিল বৈঠকে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি মহাসচিব অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা ও সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) নাক-কান গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সাত্তার, বিএমইউর এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি ও এন্ডোক্রাইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) সহ-সভাপতি ডা. শাহজাদা সেলিম, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. জেসমীন ফেরদৌস, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির পাবলিকেশন সেক্রেটারি ডা. পাপড়ি মুৎসুদ্দী, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সাইন্টিফিক সেক্রেটারি ডা. তপতী মন্ডল।

পরে বিএমইউতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) অধ্যাপক ডা. কামালউদ্দিন আহমেদ অডিটোরিয়ামে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবর রহমান হাওলাদার, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রাক্তন সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা এম এ করিম।

স্কুলের পাঠ্যসূচিতে থাইরয়েড সমস্যা অন্তর্ভুক্তকরণ

সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ফজলুল বারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইউ ভিসি বলেন, ‘আমার রোগীদের জন্য নিয়মিতভাবে বিএমইউর নিউক্লিয়ার মেডিসিনের সেবা নিয়ে গেছি। আমার মনে হয়, নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগ থাইরয়েড রোগ শনাক্ত, চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় বড় অবদান রাখে।’

থাইরয়েড দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, বিশ্ব থাইরয়েড দিবস শুধু সচেতনামূলক অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এই দিবস আমাদেরকে মানব দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির যত্নে নানা পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। একই সঙ্গে যথাসময়ে এর সমস্যা চিহ্নিতকরণে মনোযোগী এবং এর আলোকে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে তৎপর করবে। এই সেমিনার থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় সবশেষ জ্ঞান অর্জনে ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদী আমি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, থাইরয়েড সমস্যা ও রোগ সম্পর্কে গণমানুষকে জানাতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি নিতে হবে এবং এই বিষয়টি প্রাথমিক হেলথ কেয়ারেও অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। সাথে সাথে থাইরয়েডজনিত রোগ ও সমস্যার চিকিৎসার পাশাপাশি গবেষণা কর্মকাণ্ডও চালিয়ে যেতে হবে।

বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ করিম।

প্যানেল এক্সপার্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএমইউর ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম, বিএমইউর নাক কান গলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান তরফদার, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইনমাস পরিচালক অধ্যাপক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

সেমিনারে ‘জানুন, পরীক্ষা করুন, জয় করুন’ এবং ‘আপনার থাইরয়েড, আপনার রক্ষক’—শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম সাইফুদ্দিন।

এ ছাড়া ‘স্ট্যান্ডার্ডাইজড রিপোর্টিং ফরম্যাট অব থাইরয়েড আল্ট্রাসাউন্ড: আ স্ট্রাকচার্ড অ্যাপ্রোচ ফর থাইরয়েড নডিউল ইভ্যালুয়েশন’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সহ সভাপতি ও ইনমাস সোহরাওয়ার্দীর পরিচালক অধ্যাপক ডা. জীনাত জাবীন। 

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত