গাজায় একদিনে নিহত ৮৯, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৯৬৭০
মেডিভয়েস রিপোর্ট: দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার বিমান হামলায় মৃত্যু ও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা। শুক্রবার (২৫ জুলাই) দিনভর ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর গোলাবর্ষণে নিহত হয়েছেন অন্তত ৮৯ জন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪৬৭ জন।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হামলা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ৬৭৬ জনে, এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ জনেরও বেশি মানুষ।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এতে নিহত হন এক হাজার ২০০ জন। সেদিন ইসরায়েলে দক্ষিণাঞ্চল থেকে ২৪০ জনকে জিম্মিও করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। হামাসের হামলার কিছুক্ষণ পরই গাজায় নির্বিচার বোমাবর্ষণ শুরু করে ইসরায়েল বাহিনী।
প্রায় ১৫ মাস অব্যাহত হামলা চালানোর পর আন্তর্জাতিক চাপে ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। কিন্তু এই যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র দুই মাসের মাথায়, ১৮ মার্চ থেকে ফের দ্বিতীয় দফায় গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এই নতুন দফার অভিযানে মাত্র আড়াই মাসেই আরও ৮ হাজার ৫২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ৩১ হাজার ৯৩৪ জন।
হামাসের হাতে জিম্মি হওয়া ২৫১ জন ইসরায়েলির মধ্যে এখনও অন্তত ৩৫ জন জীবিত রয়েছেন বলে বিশ্বাস করছে ইসরায়েল। তাদের উদ্ধারে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে আইডিএফ।
ইসরায়েলের লাগাতার হামলা ও বোমাবর্ষণ বন্ধের দাবিতে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন একাধিকবার আহ্বান জানিয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যার’ অভিযোগে মামলা হয়েছে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ‘হামাসকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস না করা পর্যন্ত এবং জিম্মিদের উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।’
টিআই/
এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত
দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না
এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত
দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না
দশ জেলায় আইসিইউ উদ্বোধন
এক হাজার শয্যার ২০ হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী