মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সিপিআর কর্মশালা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে হয়ে গেল কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) বিষয়ক কর্মশালা। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আজগর আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ব্যাপক উদ্দীপনায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মেডিকেল স্টুডেন্টস সোসাইটির (বিএমএসএস) মুগদা মেডিকেল কলেজ শাখার (এমইউএমসিএলসি) উদ্যোগে জাতীয় পর্যায়ে প্রথমবারের এ আয়োজনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
‘লাইফ ইন ইউর হ্যান্ডস: সিপিআর ওয়ার্কশপ ফর হেলথকেয়ার হিরোজ’ শিরোনামে আয়োজিত কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন আজগর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিভাগের কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. মতিউল ইসলাম, ডা. তারিকুল হামিদ (কনসালট্যান্ট), ডা. মো. রবিউল হালিম (কনসালট্যান্ট), ডা. কাজী নূরউদ্দিন আহমেদ (সহযোগী কনসালট্যান্ট), ডা. রাজীব হাসান (জুনিয়র কনসালট্যান্ট), ডা. এ. এইচ. এম. হাফিজুর রহমান (জুনিয়র কনসালট্যান্ট), ডা. মো. আতিকুজ্জামান (স্পেশালিস্ট) এবং মি. খায়রুল বাশার (চিফ রেসপিরেটরি থেরাপিস্ট)।
সারাদিনের ক্লাস, ওয়ার্ড শেষে বিভিন্ন মেডিকেল থেকে আসা শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও একটি প্রাণবন্ত আইস-ব্রেকিং সেশনের মাধ্যমে কর্মশালাটি শুরু হয়। এরপর সিপিআর নিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন ডা. মো. মতিউল ইসলাম।
কর্মশালায় জানানো হয়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সিপিআর বিষয়ক দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পানিতে ডুবে যাওয়া, সাপে কাটা, তড়িতাহত, কার্ডিয়াক আরেস্ট (হার্ট এ্যাটাক) এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সিপিআর হতে পারে জীবন সুরক্ষার হাতিয়ার। বহির্বিশ্বে শুধু চিকিৎসকই নয়, বরং সিপিআর শিখতে সাধারণ মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করা হয়। এর মাধ্যমে আপনিও বাঁচাতে পারেন আপনার আপনজন বা অন্য কারো একটি প্রাণ।
প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী ডামির উপর সিপিআর অনুশীলন করেন। এ ছাড়াও জরুরি অবস্থা এবং প্রতিকূল পরিবেশে রোগীর সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতকরণ ও পরিস্থিতি মোকাবেলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর প্রশিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের প্রাঞ্জল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে, ছোট একটি পরীক্ষার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মূল্যায়ন করা হয়।
পরে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে সনদপত্র প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন উপহার প্রদান করা হয়। এমইউএমসিএলসির পক্ষ থেকে প্রশিক্ষকদের প্রদানকরা হয় সম্মাননা স্মারক।
এমইউ/