০৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৩:২৫ পিএম

ভারতে ৭০ হাজার রুপিতে ডাক্তার, আটক ১৪

ভারতে ৭০ হাজার রুপিতে ডাক্তার, আটক ১৪
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: পড়াশোনা ছাড়াই ৭০ হাজার রুপিতে মিলছে হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনের ডিগ্রি, ভারতের গুজরাটে এমন এক গ্যাংয়ের খোঁজ মিলেছে। অর্থের বিনিময়ে দেওয়া সার্টিফিকেটগুলো পুরোটাই ভুয়া। অভিযুক্তরা অর্থের বিনিময়ে বোর্ড অব ইলেকট্রো হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনের ডিগ্রি দিতো। তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক আবেদনপত্র, ভুয়া সার্টিফিকেট ও স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৪ ভুয়া চিকিৎসককে।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

এই ঘটনায় ১৪ ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম বলছে, গুজরাটের সুরাটে এই ভুয়া মেডিকেল ডিগ্রির চক্রের সন্ধান মিলেছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ডেটাবেসে ১২০০ ভুয়া ডিগ্রির সন্ধান মিলেছে। সেই তথ্যসূত্র ধরেই ১৪ জন ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা সবাই ওই চক্রের কাছ থেকে ভুয়া ডিগ্রি কিনেছিল এবং সেই ডিগ্রি দেখিয়েই চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছিল। গোটা ঘটনার মূল অভিযুক্ত ড. রমেশ গুজরাটিকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সংবাদ মাধ্যম কে পুলিশ জানিয়েছে, কিছু চিকিৎসক ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা করছেন বলে তাদের কাছে খবর আসে। পরে রাজস্ব বিভাগকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ হানা দেয় শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে। সেখানেই ভুয়া এসব ডাক্তারদের সন্ধান মেলে। এই ভুয়া সার্টিফিকেট আবার বছর বছর নবায়ন করতে হতো। এর জন্য পাঁচ হাজার থেকে ১৫ হাজার রুপি চার্জ নেওয়া হতো। যে ভুয়া চিকিৎসকরা এই টাকা দিতেন না, তাদের এই চক্র নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বোর্ড অব ইলেকট্রো হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনের যে ডিগ্রি দিতো অভিযুক্তরা, আদতে গুজরাট সরকার এমন কোনও ডিগ্রিই দেয় না। অভিযুক্তরা ভুয়া ওয়েবসাইটে তাদের ডিগ্রির রেজিস্ট্রেশন দেখাত। মূল অভিযুক্ত মনগড়া এই বোর্ড তৈরি করে ভুয়া ডিগ্রি দিচ্ছিল অর্থের বিনিময়ে। ‘ইলেকট্রো-হোমিওপ্যাথি’র প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ৫ জন কর্মীও রাখা হয়েছিল। তিন বছরের কম সময়েই ডিগ্রি কোর্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যেত।

বোর্ড অব ইলেকট্রো হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনের যে ডিগ্রি দিতো অভিযুক্তরা, আদতে গুজরাট সরকার এমন কোনও ডিগ্রিই দেয় না। অভিযুক্তরা ভুয়া ওয়েবসাইটে তাদের ডিগ্রির রেজিস্ট্রেশন দেখাত। মূল অভিযুক্ত মনগড়া এই বোর্ড তৈরি করে ভুয়া ডিগ্রি দিচ্ছিল অর্থের বিনিময়ে। ‘ইলেকট্রো-হোমিওপ্যাথি’র প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ৫ জন কর্মীও রাখা হয়েছিল। তিন বছরের কম সময়েই ডিগ্রি কোর্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যেত।

টিআই/
 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও
একদিনেই অবস্থান বদল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও