অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নেই সরকারি ৯ মেডিকেলে, শূন্য ৪২% শিক্ষকের পদ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশের সরকারি পাঁচটি মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ এবং চার মেডিকেল উপাধ্যক্ষ ছাড়া চলছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (গবেষণা, প্রকাশনা ও পাঠ্যক্রম উন্নয়ন) মো. হুমায়ুন কবীর তালুকদার।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য জনবল তৈরিতে মেডিকেল শিক্ষার কৌশল নিয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন তথ্য জানান তিনি।
দেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ছে।
অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবীর তালুকদার বলেন, ২০১০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ৩৫২ শতাংশ, যার সবই ঢাকাকেন্দ্রিক। দেশের প্রায় অর্ধেক মেডিকেল কলেজ ঢাকা শহরে বা তার আশপাশে।
চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ঠিকমতো চলছে না উল্লেখ করে অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বলেন, সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে জনবল বা শিক্ষকের ঘাটতি চলছে।
তিনি বলেন, সরকারি পাঁচটি মেডিকেল কলেজে অধ্যক্ষ নেই, চারটি মেডিকেল কলেজে উপাধ্যক্ষ নেই। বিভিন্ন ধরনের ৪২ শতাংশ শিক্ষকের পদ খালি। অন্যদিকে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বেসরকারি ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল চলছে না। এসব প্রতিষ্ঠানে যত আসন আছে, ভর্তির সময় তত আবেদনও পড়ে না।
অনুষ্ঠানে এসব সংকটের কথা স্বীকার করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্য শিক্ষাখাতে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হঠাৎ করে অনেক বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এটি সহসায় পূরণ করা সম্ভব না হলেও শিক্ষক ঘাটতি পূরণে কাজ চলমান রয়েছে।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শারফুদ্দিন আহমেদ চিকিৎসা শিক্ষা কমিশন ও স্বাস্থ্য কমিশন করার প্রস্তাব দেন।