২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৭:৪৮ পিএম

বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, নিয়ন্ত্রণে চাই সচেতনতা

বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, নিয়ন্ত্রণে চাই সচেতনতা
অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে। টেস্টিং ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্ত রয়েছে।

আসাদুল ইসলাম দুলাল: প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। হাসপাতালে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর চাপ। মৃত্যুর সংখ্যা কম হলেও নিয়মিত আক্রান্ত হচ্ছে শতশত মানুষ। আক্রান্তের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ১২৬, ফেব্রুয়ারিতে ২০, মার্চে ২০ এবং এপ্রিলে ২৩ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। এর পর থেকেই দেখা দেয় ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।

পরিসংখ্যা বলছে, মে মাসে ১৬৩ জন, জুনে ৭৩৭, জুলাইয়ে ১ হাজার ৫৭১ এবং আগস্টে ৩ হাজার ৫২১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে শুধু সেপ্টেম্বরে ৬ হাজার ৬৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী মেডিভয়েসকে বলেন, ‘ডেঙ্গুর প্রকোপ আবহাওয়া পরিস্থিতির উপর নির্ভরশীল। এখন বর্ষা মৌসুম, তাই ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, যা অক্টোবর পর্যন্ত বাড়বে। সাধারণত নভেম্বরে এটা কমে যাবে।’

প্রস্তুতি বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত জনবল রয়েছে। টেস্টিং ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্ত রয়েছে। তাই সামাল দিতে কোনো সমস্যা হবে না।’

সচেতনতার বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাইকে মশারি খাটিয়ে ঘুমাতে হবে। যখন কেউ বাহিরে যাবে, তখন সাদা শার্ট পরিধান করতে হবে। বাচ্চারা যখন ঘুমাবে, তখন মশারি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। পানি জমিয়ে রাখা যাবে না। ময়লা আবর্জনা অর্থাৎ যেখানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকে, সেগুলোকে উল্টে দিতে হবে, যেন পানি জমতে না পারে। এসব বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে।’

প্রতিরোধে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ

ডেঙ্গু মোকাবেলা সম্পর্কে জানতে চাইলে এই ভাইরোলজিস্ট বলেন, ‘মাল্টি সেক্টর অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করতে হবে। শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগেই হবে না। এখানে স্বাস্থ্য বিভাগ, জনস্বাস্থ্য বিভাগ, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সিটি করপোরেশন, মশক নিধন বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকল বিভাগ ও চিকিৎসকরা মিলে সমন্বয় করে কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। শুধু ডেঙ্গু আসলেই এই কাজ করলে হবে না। সবসময় এই কাজটি করতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট এক হাজার ৫২৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সর্বমোট ১২ হাজার ৮৭৫ জন। ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ১৭ জন এবং ঢাকার বাইরে দুই হাজার ৮৫৮ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ২৯৮ জন ডেঙ্গু রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ছয় দিনে সারাদেশে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বরে ৩৮১ জন; ১৮ সেপ্টেম্বরে ৩৯৯ জন; ১৯ সেপ্টেম্বরে ৩৯২ জন; ২০ সেপ্টেম্বরে ৪৩৮ জন; ২১ সেপ্টেম্বরে ৪৩১ জন ও ২২ সেপ্টেম্বরে ৪৩৭ জন। আর চলতি বছরে ভাইরাসটিতে ৪৮ জনের মৃত্যু ও ১২ হাজার ৮৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছে।

বৃষ্টি-জলাবদ্ধতায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি 

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আফরোজা আকবর সুইটি মেডিভয়েসকে বলেন, ‘বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির (ডিএনসিসি) ২৭টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রকোপ বেড়ে গেছে। আগে এক-দুয়েক দিন পরপর সিটি করপোরেশন থেকে মশা নিধনের ওষুধ দিতো। আর ওষুধ দেওয়া কমে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মশা বেড়ে যেত।

মশার ডিম ও লার্ভা উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে বিকশিত হচ্ছে, প্রাপ্তবয়স্ক মশা তৈরি হচ্ছে। পরে আমাদের কামড়াচ্ছে আর ডেঙ্গি মশা ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর রক্তপান করে নিজে সংক্রমিত হয়ে ভাইরাসটি বহন করে অপর ব্যক্তিকে কামড়াচ্ছে। এতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। যেহেতু ঘনবসতি এলাকা, তাই দ্রুত এটা ছড়াচ্ছে। আগে জুন, জুলাইয়ে প্রকোপ বেড়ে যেত। বর্তমানে আবহাওয়া পরিবর্তন বা বৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে।’

সামনের দিনগুলো আরও বাড়বে কিনা, জানতে চাইলে ডা. আফরোজা আকবর সুইটি জানান, ‘এ বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করাটা কঠিন। তবে এটা কোথায় গিয়ে ঠেকবে বলা মুশকিল। এখন বৃষ্টি লাগামহীন। মশা নিধন স্প্রে ব্যবহার করে মশার ডিম, লার্ভা ধ্বংস করতে হবে। তাহলে ডেঙ্গুর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’ 

এ ব্যাপারে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু সম্পর্কে দ্রুত সচেতন করতে হবে। ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় হাত-পায়ের মোজা পরিধান করতে হবে। প্রত্যেকের বাসার চারপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। যেন অফিসের আঙ্গিনা, বাগানের ফুলের টব, গাড়ির টায়ার ও বিভিন্ন পাত্রে কোথাও কোনো পানি না জমে। এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো উচিত। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনকে মশা নিধনের ব্যাপারে আরও সচেতন হতে হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালে ডেঙ্গু জ্বরে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩শ’ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। আর গত বছর এ রোগে মারা গেছেন ১০৫ জন এবং আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন।

স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের জরিপ অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৩ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির (ডিএনসিসি) ১৪টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুতে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

এতে বলা হয়েছে, তিনি হাজার ১৫০টি বাড়িতে পরিচালিত এই জরিপে দুই হাজার ৮২৯টি বাড়িতেই নমুনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ, আর ১৫৯টি বাড়িতে ডেঙ্গু ফলাফল পজিটিভ এসেছে। মোট পজিটিভ আসা বাড়িগুলোর মধ্যে ৬৩টি বাড়ি ডিএনসিসিতে এবং ৯৬টি বাড়ি ডিএসসিসিতে অবস্থিত।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম অব্যাহত

জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লে. কর্নেল মো. গোলাম মোস্তফা সারওয়ার মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই কাজ করছি, সারাবছরই কাজ করি। প্রতিদিন সকাল থেকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক কর্মীসহ আমরা সবাই মাঠে কাজ করছি। লার্ভিসাইড করছি এবং মানুষকে বাসার চারপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি সচেতন করছি।’

কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে আপনাদের করণীয় কি হবে জানতে চাইলে মো. গোলাম মোস্তফা সারওয়ার বলেন, ‘আমরা আমাদের ৪৭টি সেন্টারে ফ্রি ডেঙ্গু টেস্টের ব্যবস্থা করেছি। ওই শাখাগুলোর ঠিকানা আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে। আমরা ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় নাম্বারসহ এগুলো দিয়েছি। উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যেসব হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়, আমরা ওই হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ডেঙ্গু রোগীর ঠিকানা সংগ্রহ করি। পরবর্তীতে ওই ঠিকানায় গিয়ে আশপাশের ৪০০ গজ এলাকায় সকালবেলা আমরা লার্ভা সার্চ করি এবং বিকেল বেলা ফগিং করি এবং আশপাশের বাড়িওয়ালাদের বাড়ির ভিতরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সচেতন করে থাকি।’

মশক নিধনে কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিএসসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তিন দিন আগে সাতদিনের একটা বিশেষ কার্যক্রম সমাপ্ত করলাম। এই সাতদিন একনাগারে সবগুলো ওয়ার্ডে প্রচারণা চালিয়েছি। একইসঙ্গে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করার জন্য লিফলেট বিতরণ করেছি। এই দিনগুলোতে মেয়রসহ সবাই মাঠে ছিলেন। আমরা ওইটার ধারাবাহিকতায় কাজ করছি।’

মশক নিধন কার্যক্রমে কোনো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ আমাদের কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। জনগণ যথেষ্ট সহযোগিতা করছে এবং আমাদের যা যা দরকার সবকিছুই রয়েছে।’

মশক নিধনে বাজেট সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পর্যাপ্ত বাজেট রয়েছে। লার্ভিসাইড ও মেশিনপত্র কেনাসহ ইত্যাদি সম্পর্কিত পর্যাপ্ত বাজেট আছে।’

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি যথেষ্ট ভালো, তবে অনেকেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার যে আশঙ্কা করেছিল, সে তুলনায় আমরা অনেক ভালো আছি। আমরা সেই আশঙ্কা থেকেই কাজ শুরু করেছি। যার কারণে এখন পর্যন্ত এটা মহামারি পর্যায়ে পৌঁছায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছরের অক্টেবরের মধ্যে ডেঙ্গু প্রকোপ কমে যাবে।’

নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রোগীদের চিকিৎসা

এ বিষয়ে রাজধানীর মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের পরিচালক ডা. মিজানুর রহমান মেডিভয়েসকে বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, যা অব্যাহত রয়েছে। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

সচেতনতা বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ‘জনগণকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি মিডিয়াকে ডেঙ্গু সম্পর্কিত বার্তা বেশি বেশি প্রচার করতে হবে। একইসঙ্গে সিটি করপোরেশনকে ডেঙ্গুর সচেতনতা সম্পর্কিত পোস্টার রাস্তার মোড়ে মোড়ে টাঙ্গাতে হবে, যা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।’

ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেনম, ‘আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিচ্ছেন। এখানে যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিদিন আমরা এ বিষয়ে নজরদারি করছি। এখানে হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী সঙ্কট রয়েছে। তবে চিকিৎসক ও নার্সের কোনো সঙ্কট নেই। সুতরাং এখানে কোনো সমস্যা হবে না।’

আর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকটি হাসপাতালে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনার জন্য সুপ্রতিষ্ঠিত গাইডলাইন দেওয়া আছে। সব হাসপাতাল এই গাইডলাইন সম্পর্কে অবগত, যা তারা অনুসরণ করছে।’ 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি