১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৯:৩১ পিএম

সিআইডি পরিচয়ে বাসা থেকে চিকিৎসককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

সিআইডি পরিচয়ে বাসা থেকে চিকিৎসককে তুলে নেওয়ার অভিযোগ
রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল তিনটার দিকে বাসা থেকে ডা. শাকিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পরিচয়ে চার ব্যক্তি তুলে নিয়ে যায়।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজধানীর রামপুরা থেকে ডা.এ কে এম ওয়ালী উল্লাহর চিকিৎসক পুত্র শাকির বিন ওয়ালীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আজ সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন ডা. ওয়ালী উল্লাহ।

এ ব্যাপারে ডা. এ কে এম ওয়ালী উল্লাহ মেডিভয়েসকে বলেন, রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল তিনটার দিকে বাসা থেকে ডা. শাকিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পরিচয়ে চার ব্যক্তি তুলে নিয়ে যায়। এসময় বাসায় থাকা ডা. শাকিরের স্ত্রী ওই চার জনের পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদেরকে সিআইডির লোক বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম সোমবার সন্ধ্যায় সাড়ে ৮টায় মেডিভয়েসকে বলেন, ‘শাকির অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে, এজন্য তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে।’

ডা. ওয়ালী উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে রামপুরা থানায় যোগাযোগ করি। তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে আমাকে জানান। তখন থানায় জিডি করতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মাওলা আমার কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলোর নোট নেন, এবং ঘটনার খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তীতে জানাবেন বলেন।’

‘এর পর ১১ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে আবারও চার-পাঁচ জনের লোক আমার বাসায় আসেন, নিজেদেরকে সিআইডির লোক বলে পরিচয় দেন। এসময় তারা শাকির বিন ওয়ালীর রুম তল্লাশী করে একটি মুঠো ফোন নিয়ে যায় । শাকিরের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, সে (শাকির) সিআইডির মালিবাগ অফিসে আছে। তদন্তের স্বার্থে তারা ২য় বার বাসায় এসেছেন বলে জানান।’

শাকিরের বাবা বলেন, ‘আজ সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে আমি মালিবাগ সিআইডি অফিসে সরাসরি গিয়ে যোগাযোগ করি। তারা আমাকে এ ব্যাপারে কোন তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সেখান থেকে ফিরে সকাল সাড়ে এগারটার দিকে পুনরায় রামপুরা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম মাওলার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। এসময় ছেলের বিষয়ে জিডি করতে চাইলে তিনি আমাকে বলেন, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা আপনার ছেলেকে নিয়ে গেছে, তাই জিডি করা সম্ভব নয়। ’

ডা. ওয়ালী উল্লাহ বলেন, ‘আমার ছেলে যদি কোন অন্যায় কাজ করে থাকে, তবে প্রচলিত আইনে তার যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিচার করা হোক। তাকে আদালতে উঠানো হোক। আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সৌদিতে কর্মরত ছিলাম। পরবর্তীতে দেশে ফিরে ১৯৯৫ সাল ডিআইটি রোড, রামপুরায় অবস্থিত ভিশন কেয়ার অপটিক্স এ চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করে আসছি। ৬৮/১, পূর্ব হাজীপাড়ায় দুই মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে বসবাস করছি। এলাকায় সবাই আমার সন্তানদেরকে ভদ্র হিসেবে জানে।’ 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক