১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৭:৫০ পিএম

‘সেবার মান অনুযায়ী হাসপাতালগুলোর শ্রেণীবিন্যাস শিগগিরই’

‘সেবার মান অনুযায়ী হাসপাতালগুলোর শ্রেণীবিন্যাস শিগগিরই’
অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, ‘প্রথম ধাপের কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং এটা আরও কিছু দিন চলবে। নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত হওয়ার আমাদের গুরুত্বের কেন্দ্রে থাকবে, যাদের আমরা লাইসেন্স দিয়েছি।’

মো. মনির উদ্দিন: নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত হওয়ার পর বৈধ হাসপাতালগুলোর লাইসেন্সের শর্ত পালনের দিকে নজর দেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আওতায় হাসপাতালগুলোতে রোগীদের সুযোগ-সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা হবে। প্রয়োজনে সেবার মান বাড়ানোর বিষয়েও সহযোগিতা করবে অধিদপ্তর।

আর এর ভিত্তিতে শিগগিরই হাসপাতালগুলোর শ্রেণীবিন্যাসকরণ কার্যক্রম শুরু হবে। সীমিত পরিসরে এরই মধ্যে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে দেশের হাসপাতালগুলোকে ‘এ’, ‘বি’,  ও ‘সি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এ লক্ষ্যে সকল অংশীজনদের সঙ্গে বসবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের আলোকে নভেম্বরের-ডিসেম্বরের দিকে পরিপূর্ণভাবে এ কাজ শুরু হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর একান্ত সাক্ষাৎকারে মেডিভয়েসকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

অনিবন্ধিত হাসপাতাল বন্ধে অভিযান পরিচালনার পরবর্তী লক্ষ্যের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথম ধাপের কাজটি আমরা খুব সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি এবং এটা আরও কিছু দিন চলবে। নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠান যখন আমরা চিহ্নিত করতে পারবো, তখন আমাদের গুরুত্বের কেন্দ্রে থাকবে, যাদের আমরা লাইসেন্স দিয়েছি। আমরা দেখবো, হাসপাতালগুলো যে শর্তে লাইসেন্স পেয়েছে, তা পালন করছে কিনা। সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।’

যেনতেনভাবে হাসপাতাল-ক্লিনিক চালানোর সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজটা হচ্ছে মানুষের ওপর। সুতরাং এখানে আপোষের সুযোগ নেই। যারা পরবর্তীতে লাইসেন্স নিয়েছেন, তাদেরকে নিশ্চয় আমরা সুযোগ দেবো। তবে শর্তগুলো মেনে চলতে হবে। যেমন: শয্যা অনুযায়ী, কতজন চিকিৎসক থাকা উচিত। একটি আদর্শ পরিবেশে অপারেশন থিয়েটার কী রকম থাকা উচিত, চিকিৎসক কতজন, নার্স কতজন, অনেসথেশিওলজিস্ট কতজন থাকা উচিত? এ সকল সেবার সুযোগ-সুবিধাগুলো তাদেরকে অবশ্যই যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। এগুলো মেনে চললে নিবন্ধিত হাসপাতালকে বিরক্ত করার সুযোগ নেই। প্রয়োজনে সেবার মান আরও বাড়ানোর বিষয়ে সহযোগিতা করবো।’

তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ সেবা দিতে না পারলেও ন্যূনতম সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তবে হাজার চেষ্টা বা ইচ্ছা থাকলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঢাকা শহরের মতো অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি বা এতো চিকিৎসক পাওয়া যাবে না। বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করে এবং সেবার মান অনুযায়ী, তারও একটি শ্রেণী-বিভাগ থাকবে, যা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। অর্থাৎ ‘এ’, ‘বি’,  ও ‘সি’ ক্যাটাগরির হাসপাতাল। এ কাজটিও আমরা সমান্তরালভাবে শুরু করেছি।’

মানের ভিত্তিতে ভালো হাসপাতাল চিহ্নিত করার কাজ কবে থেকে শুরু করবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা পর্যায়ক্রমে কাজগুলো করছি। তবে অনিবন্ধিত হাসাপাতাল বন্ধের কার্যক্রমের সঙ্গে সীমিত পরিসরে এটিও চলমান আছে।’ 

অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, ‘এ নিয়ে আমরা সকল অংশীজনদের সঙ্গে বসবো। এর সঙ্গে সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ও জড়িত। যত দ্রুত সম্ভব, আমরা করবো। আশা করি, আগামী ৩ মাসের মধ্যে এটি পুরোদমে শুরু করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ নভেম্বরের-ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা একটি অবস্থানে চলে যাবো। এর পরই হাসপাতালগুলোর শ্রেণীবিন্যাস করা হবে।’

অনিবন্ধিত হাসপাতালের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সুন্দর পরিকল্পনার আলোকেই কাজ করছি। আমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করা আছে। আমরা যখন তিন মাস আগে কাজটা শুরু করলাম, তখন অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি ছিল, ২/১ দিন করে কাজটা থেমে যাবে। কিন্তু আমরা প্রতিশ্রুতির জায়গা থেকে সরে আসিনি। অব্যাহত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি গতি সঞ্চার করা সম্ভব হয়েছে।’   

তিনি আরও বলেন, ‘তিন মাস পর একটি মূল্যায়নে বসেছি যে, আমরা আসলে কতটুকু কাজ করতে পেরেছি। প্রথম ৭২ ঘণ্টার যে একটা ঘোষণা ছিল, সেটা সফলভাবে পরিচালনার পর গত তিন মাসে আমরা অনেক অবৈধ হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ এবং চিহ্নিত করতে পেরেছি।’

‘দ্বিতীয় পর্যায়ে বাকিগুলোকে বন্ধ করা না গেলেও চিহ্নিত করা জরুরি। এটা নিশ্চিত হলে আমরা বুঝতে পারবো যে, অনিবন্ধিত বা স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার পরিবেশ নেই, এমন হাসপাতালের সংখ্যা কত। সেগুলোকে চিহ্নিত করা গেলে সুবিধা পাওয়া যাবে’, যোগ করেন তিনি। 

তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি আমরা নির্দেশনা দিয়েছি, যাদের নিবন্ধন আছে, তারা যেন নিবন্ধন নম্বরটি মেয়াদ্দোত্তীর্ণের তারিখসহ সাইনবোর্ডে ঝুলিয়ে দেয়, যাতে আমার কোনো চিকিৎসক ওইখানে চিকিৎসা দিতে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় না পড়েন। কারণ তাঁর পক্ষে বোঝা সম্ভব না, এটা নিবন্ধিত না অনিবন্ধিত। এই কাজটি নিশ্চিত করা আমাদেরই দায়িত্ব। সেই দায়িত্বের জায়গা থেকেই আমরা প্রত্যেককে চিঠি দিয়েছি এবং প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক মালিক সমিতিকেও বলেছি, তারা যেন প্রাইভেট ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের চোখে পড়ার মতো জায়গায় নিবন্ধন নম্বরটি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেন, প্রয়োজনে কিউআর কোডসহ। তাহলে চিকিৎসকগণ সব কিছু বুঝতে পারবেন। অথবা তাদের বলেছি, সাইন বোর্ডে নিবন্ধন নম্বরটি লিখে দেন। একই সঙ্গে রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসককে বিএমডিসি থেকে আগেই বলে দেওয়া হয়েছে, তাদের রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি নিরাপত্তার লক্ষ্যে দেওয়ার জন্য। যারা ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, তারা তো চিকিৎসক না। তারা চিকিৎসকদের ক্ষতি করছে। তাই চিকিৎসকগণ তাঁদের নিরাপত্তার জন্য বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ব্যবহার করবেন। আর নিবন্ধিত ক্লিনিক নিবন্ধন নম্বরটি ব্যবহার করবেন।’ 

নিবন্ধনহীন হাসপাতালে নিবন্ধিত চিকিৎসকদের সেবা দেওয়া নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেসব চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান ইচ্ছাকৃতভাবে নিবন্ধন করে না, অথবা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে না, এর মানে হলো তাদের ভালো কিছু করার চিন্তা নেই, সততারও অভাব আছে। দেশের আইন-কানুন যারা ভঙ্গ করে, অথবা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার প্রয়োজনও বোধ করে না, বুঝতে হবে তাদের দুর্বলতা আছে। তাদের সেটআপেও সমস্যা আছে। একজন চিকিৎসক তো না বুঝে সেখানে যাচ্ছেন।’

সেবার মান নিশ্চিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একযোগে অনেকগুলো কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে রয়েছে লাইসেন্সিং প্রক্রিয়াকে সহজিকরণ। যাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে, তারা যেন কেউ হয়রানির শিকার না হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যা করছে, তা কাউকে হয়রানি করার জন্য নয়। কারণ এ কথা অনস্বীকার যে, বেসরকারি হাসপাতালও অনেক ভালো সেবা দিচ্ছে। উন্নত মানের চিকিৎসা দিচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালও ভালো করছে। যারা ভালো স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন তাদেরকে আমরা উৎসাহিত করবো। কিন্তু যারা অসাধু, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো আপোষ নেই।’ 

আহমেদুল কবীর বলেন, ‘এসব কাজে স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তর এখানে মৌলিক ভূমিক পালন করবে। নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ হিসেবে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে একটি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারবো বলে আমরা প্রত্যয়ী। মাননীয় মন্ত্রী এসব কাজ সরাসরি তদারকি করছেন। সরকারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুরু করে, জেলা সদর হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মন্ত্রণালয়ের অনেক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারিকে দিয়ে তিনি একটি মনিটরিং টিম গঠন করেছেন, যাতে আমাদের ব্যর্থতা ও শূন্যতাগুলো চিহ্নিত করতে পারি। এসবের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো, স্বাস্থ্যসেবাকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনা, মানুষের সেবাটা নিশ্চিত করা।’ 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, ‘চিকিৎসকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিতে শিগগিরিই আইনের খসড়া মন্ত্রী মহোদয়ের হাতে দেওয়া হবে। শক্তিশালী একটি আইন প্রণয়ন হলে চিকিৎসক, অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ও সেবাগ্রহিতাসহ সকল শ্রেণীর মানুষের জন্য হাসপাতালে একটি সুস্থ পরিবেশ ফিরে আসবে।’

হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিগ্রহের ঘটনায় উষ্মা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘যথাযথ চিকিৎসা দিলেও রোগী মারা যেতে পারে এবং ক্ষতিও হতে পারে। এটা স্বীকৃত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। অনেক উন্নত দেশেও চিকিৎসায় এ রকম জটিলতা হয়। সহজ বিষয়টি মানুষকে বোঝানো যায় না। কারণ হলো, এর সঙ্গে জনগণকে পুরোপুরি সম্পৃক্ত করা যায়নি। মানুষের ধারণার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের এড় একটি ভূমিকা আছে। দেখুন, কোনো একটি ঘটনা ঘটলেই ক্যামেরা ট্রায়াল হয়ে যায়, এতে চিকিৎসক বড় বিপদে পড়ে যান। চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে সেটা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু কিছু একটি ঘটলেই চিকিৎসকের ঘাড়ে দায় চাপানো হয়, অথচ এ দায় চাপাচ্ছেন, তারা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না। এ ধরনের খবরের জন্য জনগণ চিকিৎসকের ওপর সংক্ষুব্ধ হয়। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে জনগণকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে না। সুতরাং সব পক্ষকে ধৈর্য ধারণ করে সমান দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। আমাদের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারলে দেশের পাশাপাশি বাইরের রোগীরাও এখানে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসতে পারে।’ 

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসকদের দক্ষতা, সক্ষমতা এবং সেবার মান অনেক ভালো। তাঁদেরকে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা দিতে পারলে সেবার মান অনেক উন্নত করা সম্ভব। বাংলাদেশের চিকিৎসকরা বাইরে গিয়ে অনেক ভালো কাজ করছেন।  তাহলে দেশের পারবে না কেন? তাদের জন্য আমাদেরকেই পরিবেশ করে দিতে হবে। এতে অধিদপ্তরের বিরাট দায়িত্ব রয়েছে।’

স্বাস্থ্য খাতে জনবল নিয়োগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। করোনার কারণে শুধু বাংলাদেশের না, সারা পৃথিবীর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো স্পষ্ট হয়েছে। এ সময়ে চার শতাধিক অ্যানেসথেশিওলজিস্ট পদায়ন করা হয়েছে। কয়েক ধাপে ১৫ হাজারের ওপরে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক সংখ্যক নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে নিওরোসায়েন্সের মতো ইনস্টিটিউট হচ্ছে, অথোপেডিক্স হসপাতাল হচ্ছে, বার্ন ইনস্টিটিউট হচ্ছে, ক্যান্সার হাসপাতাল হচ্ছে, কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার হচ্ছে। এই উদ্যোগুলো স্বাগত জানানো উচিত।’

এ খাতের সক্ষমতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকের কোনো সংকট নেই। গ্রাম পর্যায়ে, উপজেলা পর্যায়ে কিছু সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আমরা মনে করছি, উপজেলায় সমতার ভিত্তিতে ভাগ করে দিতে পারলে এবং যথাযথভাবে কাজের সুযোগ দেওয়া হলে অদূর ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।’

এ সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, চিকিৎসক, নার্স নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা সম্পন্ন হলে পরবর্তী প্রজন্ম এর সুফল পাবে। এর সূচনা না হলে আগামী পাঁচ বছরও একই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হতো। টেকনোলজিস্ট নিয়োগের লক্ষ্যেও কাজ শুরু হয়েছে। প্রচুর নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের মাধ্যমে নিয়োগ হচ্ছে, আউট সোসিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে নিয়োগ কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে, কিছু মামলা মোকদ্দমা আছে, সেগুলো নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে।’

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত