ডা. বুলবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজধানীর মিরপুরে দন্ত চিকিৎসক ডা. আহমেদ মাহী বুলবুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি রিপনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (১৫ জুন) বিকেলে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, রিপন ডা. বুলবুলের উরুতে ছুরিকাঘাত করে। সে শিকারও করেছে। হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা হিসেবে তাকে আসামি করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রায় তিনমাস পর গতকাল তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে গত ৩০ মার্চ এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ডা. বুলবুল হত্যার ঘটনায় এ নিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে গ্রেপ্তার চারজন হলেন: আরিয়ান ওরফে হাফিজুল ওরফে হৃদয় (৩৯), সোলায়মান (২৩), রায়হান ওরফে আপন ওরফে সোহেল (২৭) ও রাসেল হোসেন হাওলাদার (২৫)।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ ভোরে রাজধানীর মিরপুরের কাজীপাড়ায় মেট্রোরেলের নির্মাণাধীন স্টেশনের নিচে ছুরিকাঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে খুন হন দন্তচিকিৎসক মাহী বুলবুল। ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। সকাল আটটার দিকে মিরপুরের কাজীপাড়া থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই সঙ্গে তাঁর কাছ থেকে একটি মুঠোফোন খোয়া গেলেও সঙ্গে থাকা ১২ হাজার টাকা, অন্য একটি মুঠোফোন ও আঙুলে থাকা সোনার আংটি উদ্ধার করে তারা।
ডা. বুলবুলের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। চাকরিকালীন ১৯৯৯ সালে মারা যান। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন বুলবুল। ১৯৯৭ সালে রংপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকার মগবাজারে ইউডিসিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে বিডিএস পড়াশোনা শেষ করে প্র্যাকটিস শুরু করেন।
দিনাজপুর জেলায় বিয়ে করেছিলেন ডা. বুলবুল। স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। দেড় বছর বয়সী ছেলে ও সাত বছরের মেয়ে রয়েছে নিহত বুলবুলের।
-
১৪ অগাস্ট, ২০২৪
-
২৯ নভেম্বর, ২০২৩