ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ৯০০ জনের দেহে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গণহারে টিকাদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গত ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৭ জন ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে ৯০০ জনের দেহে ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (ইএমআইএস) ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত নিয়মিত করোনা ভ্যাকসিন আপডেটে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বিরূপ প্রতিক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে রিপোর্টকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩২০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০১ জন, রংপুর বিভাগে ৭০ জন, খুলনা বিভাগে ১১২ জন, বরিশাল বিভাগে ২৫ জন ও সিলেট বিভাগে ৪১ জন রয়েছেন।
গতকাল টিকা কার্যক্রমে রাজধানীসহ সারাদেশের সরকারি হাসপাতাল ও অন্যান্য ভ্যাকসিন কেন্দ্রে মোট ৭২ হাজার ৯২৩ জন টিকা গ্রহণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ৪০ হাজার ৪৭৭ জন ও ৩২ হাজার ৪৪৬ জন নারী রয়েছেন। এদিন টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে তিন জন বিরূপ প্রতিক্রিয়ার উপসর্গ রিপোর্ট করেছেন।
করোনার টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় এখন পর্যন্ত মোট ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৭৪৭ জন টিকা গ্রহণ করছেন। তাঁদের মধ্যে ২৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫১১ জন পুরুষ এবং ১৭ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৬ জন নারী রয়েছেন।
টিকা গ্রহীতাদের বিভাগ ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে দুই লাখ ১০ হাজার ৭৮৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে নয় লাখ ৭৪ হাজার ৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে পাঁচ লাখ ২৬ হাজার ৬৬২ জন, রংপুর বিভাগে চার লাখ ৬৬ হাজার ২৪৯ জন, খুলনা বিভাগে ছয় লাখ ৬২ হাজার ৭৬৬ জন, বরিশাল বিভাগে দুই লাখ ১২ হাজার ১৯৬ জন ও সিলেট বিভাগে দুই লাখ ৫১ হাজার ৯৮৩ জন টিকা নিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনেকার উদ্ভাবিত করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর পরদিন রাজধানীর পাঁচটি সরকারি হাসপাতাল পরীক্ষামূলকভাবে ৫৪১ জনকে টিকা দেওয়া হয়। পরে ৭ জানুয়ারি থেকে গণহারে টিকাদান শুরু করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বয়স্ক, চিকিৎসক ও সম্মুখ সারিতে কাজ করা ব্যক্তিদের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
-
২৫ এপ্রিল, ২০২৬
বিস্তার দেশের ৯১ শতাংশ জেলায়
হামের উচ্চঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ডব্লিউএইচও
-
২৪ এপ্রিল, ২০২৬
-
২০ এপ্রিল, ২০২৬
-
০৬ এপ্রিল, ২০২৬
-
০৫ এপ্রিল, ২০২৬
-
০৫ এপ্রিল, ২০২৬
-
১৫ নভেম্বর, ২০২৫