আট এপ্রিল পর্যন্ত কুয়েতে কারফিউ জারি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আগামী ৮ এপ্রিল পর্যন্ত কুয়েতে পুনরায় রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছে কুয়েত সরকার। একইসঙ্গে দেশটিতে বিদেশীদের প্রবেশ সাময়িক নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিকেলে সেফ প্যালেসে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল-খালেদ হামাদ আল সাবাহ এর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
কুয়েত আগামী রোববার থেকে আগামী এক মাসের জন্য রাত্রিকালীন কারফিউ জারি থাকবে। বিকেল ৫টা থেকে শুরু হওয়া কারফিউ ভোর পাঁচটা পর্যন্ত চালু থাকবে। এ সময় কুয়েতে বিদেশীদের প্রবেশ পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এদিকে দেশটিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে আবারও কড়া স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। সংক্রমণ হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় মাস্ক পড়া ও কোয়ারেন্টাইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এর আগে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে উপসাগরীয় দেশটি প্রথম আংশিক কারফিউ জারি করে। এরপর আংশিক কারফিউ থেকে ধাপে ধাপে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। পরে করোনার সংক্রমণ কমে আসায় প্রায় সাত মাস লকডাউন ও কারফিউ শেষে গত বছরের ৩০ আগস্ট দেশটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বেরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস সরাবিশ্বে মহামারী আকার ধারণ করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো কুয়েতেও করোনাভাইরাস প্রাণঘাতী আকার ধারণ করেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত দুই লাখের অধিক মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১১৪৪ জন। তবে প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার মানুষ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে।
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়
ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়
ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’