১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১ ০৮:২৯ পিএম

টিকা নিয়েছে দেশের ১৮ লাখেরও বেশি মানুষ

টিকা নিয়েছে দেশের ১৮ লাখেরও বেশি মানুষ
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমে এ পর্যন্ত দেশে টিকা নিয়েছেন মোট ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৩ জন। যা মোট জনসংখ্যার এক শতাংশেরও বেশি।

আজ শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) আয়োজিত করোনা সংক্রমণের গতিবিধি ও টিকা শীর্ষক এক সংলাপে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শুরুর দিকে টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ কম থাকলেও, অনেক কেন্দ্রে এখন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দেড়গুণ পর্যন্ত বেশি মানুষ টিকা নিতে ভিড় করছেন। দেশে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৩ জন। যা এক শতাংশেরও কিছুটা বেশি।

এ এস এম আলমগীর বলেন, করোনা প্রতিরোধে পৃথিবীর অনেক দেশেই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫টির বেশি দেশ মোট জনসংখ্যার এক শতাংশের বেশি জনগণকে টিকার আওতায় আনতে পেরেছে। ইসরাইলও এ কাজটি করেছে। তাদের জনসংখ্যা অনেক কম। এছাড়া যুক্তরাজ্য ২৩ শতাংশ পূরণ করেছে। আবার আমাদের আগে টিকা কার্যক্রম শুরু করার পরেও জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় ভারত ওই টার্গেটে যেতে পারেনি।

দেশে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের কম উল্লেখ করে আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বলেন, আমরা স্বস্তির একটি পরিবেশে আছি। তার মানে এই নয় যে সংক্রমণ কমে গেছে। বিশ্বের অনেক দেশেই সংক্রমণের হার কমার পরে পুনরায় তা বেড়েছে। তাই আমাদের অবহেলা করলে চলবে না।

সংলাপে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে ইউজিসি অধ্যাপক ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, সংক্রমণ কমে আসার এমন স্বস্তির খবরে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো সুযোগ নাই। মৃত্যুর মিছিল উঠা-নামা করছে।

তিনি বলেন, এখন অনেকেই আমাদের দেশে আসবে। ভাইরাসটি যাতে আমদানি হয়ে না আসে, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। টিকা দেওয়ার পাশাপাশি মাস্কও পড়তে হবে। দুটি মাস্ক পড়লে তা আরও বেশি কার্যকর হবে- বলা হচ্ছে।

একুশে পদকপ্রাপ্ত অণুজীব বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর আগেই আমাদের সিকোয়েন্সিংয়ের মেশিন ছিলো। কিন্তু এ কাজে আমরা সফলতা দেখাতে পারিনি। তবে করোনাকালে সবাই মিলে যখন কাজটি শুরু করি তখন বড় একটি কাজ হয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে।

বিএইচআরএফের সভাপতি তৌফিক মারুফের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ডা. আবু জামিল ফয়সাল, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি ও করোনা প্রতিরোধে জাতীয় কারিগরি পরামর্শ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, বিএইচআরএফের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ রাব্বি প্রমুখ।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি