ভারতে নামী হাসপাতালের ভুয়া ডাক্তার চক্র গ্রেপ্তার
মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতের কলকাতা ও রাজ্যের কয়েকটি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ভুয়া চিকিৎসক চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি)।
গত বছরের জুন মাস থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান চালিয়ে এসব ভুয়া ডাক্তারদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
সিআইডি জানিয়েছে, মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করা এই ভুয়া চিকিৎসকরা অনেকেই কলকাতার নামী হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গত জুনে রামশঙ্কর সিং নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেন সংস্থাটি।
রামশঙ্কর সিং হাওড়া শহরে নামের পাশে এমবিবিএস, এমআরসিপি ডিগ্রি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন বলে জানায় সিআইডি।
এরপর অজয় তিওয়ারি নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। যিনি কলকাতার নামি হাসপাতাল কোঠারি মেডিকেল সেন্টারে ২০ বছর ধরে গ্যাস্ট্রো এন্টেরোলজিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত করছে সংস্থাটি।
গ্রেপ্তারকৃত ভুয়া ডাক্তারদের মধ্যে রয়েছে কলকাতার বিখ্যাত বেলভিউ হাসপাতালে ২০০৩ সাল থেকে এলাৰ্জি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত নরেন পান্ডে।
এছাড়া চিকিৎসকদের ভুয়া সার্টিফিকেট তৈরিকারী বারাসতের রমেশ চন্দ্র বৈদ্যকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তিনি মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ভুয়া সার্টিফিকেট বিক্রি করতেন। সম্প্রতি তিনি ৫৬০ জনকে ভুয়া ডাক্তারির সার্টিফিকেট দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সিআইডি।
এমনই ভুয়া সার্টিফিকেটধারীদের একজন হাওড়ার শুভেন্দু ভট্টাচাৰ্য। যিনি অসাধারণ কৃতিত্তের কারণে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের নিকট থেকে সনদপত্র নিয়েছেন।
তবে এসব ভুয়া চিকিৎসকদের গ্রেপ্তারের পর অনেকটা নড়েচড়ে বসেছে পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসক সমাজ। এসব ডাক্তারদেরকে সমাজের অভিশাপ বলে আখ্যায়িত করেছেন স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্তা ডা. নির্মল মাজি। দেরিতে হলেও তাদেরকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’