১১ অক্টোবর, ২০২০ ০৭:৩৩ পিএম
করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতি

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ২১ অক্টোবর

ডা. সাবরিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ২১ অক্টোবর

মেডিভয়েস রিপোর্ট: করোনাভাইরাস পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ আট জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ আগামী ২১ অক্টোবর নির্ধারণ করেছে আদালত। 

আজ রোববার (১১ আক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে বাড়িওয়ালার গাড়ির ড্রাইভার মোহাম্মদ মবিনের সাক্ষ্য ও আসামী পক্ষের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

সূত্রে জানা যায়, করোনাকালে জেকেজি হেলথ কেয়ারের ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাবরিনা আরিফ চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীরর বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যহত রয়েছে। মোট ৪২ জন সাক্ষীর মধ্যে ছষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে বাড়িওয়ালার গাড়ির ড্রাইভার মোহাম্মদ মবিনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এ সময় আসামীপক্ষের আইনজীবী তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের পর মামলার শুনানী মুলতবি ঘোষণা করে আগামী ২১ অক্টোবর পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটভূক্ত অন্য আসামিরা হলেন, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূল হোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছেন।

এরপর গত ২০ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ৬ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হায়াত মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। তিনি মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে বদলির আদেশ দেন। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৩ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ ঘটনায় গত ১২ জুলাই ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। ১৩ জুলাই তার তিন দিনের রিমান্ড হয়। ওই রিমান্ডের পর ১৭ জুলাই তার ফের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আর মামলায় ২৩ জুন আরিফ চৌধুরী গ্রেফতার হয়ে রিমান্ডে যায়। ১৫ জুলাই তাকে ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে সব আসামিই বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক