পশ্চিমবঙ্গে করোনা রোগীদের সেবাদানকারী চিকিৎসকদের নিয়োগসহ একগুচ্ছ সুবিধা
মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানকারী চিকিৎসকদের বিভিন্ন সুবিধা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ইন্টার্ন চিকিৎসক ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন শিক্ষার্থীদের জন্য একগুচ্ছ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। খবর জিনিউজের।
করোনা চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের সুবিধায় বেশকিছু সিদ্ধান্তও ঘোষণাগুলো হলো-
১) যারা প্রথম সারিতে কাজ করছেন, তাদের ডিফিকাল্ট এরিয়া হিসাবে কনসিডার করা হবে।
২) যারা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করছেন, তারা যদি ডিফিকাল্ট এরিয়াতে কাজ করতে চান, তাহলে তাদের নম্বরে ১০ শতাংশ নম্বর অতিরিক্ত
দেওয়া হবে।
৩) যারা ইন্টার্ন আছেন ও পড়াশোনা করছেন, তাদের অ্যাকাডেমিক কেরিয়ার যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তাই তারা ডিফিকাল্ট এরিয়াতে কাজ করতে এলে তাদের "কোভিড ওয়ারিয়র" সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
৪) টিচিং ও ট্রেনিংয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তার জন্য রোটেশনের বিষয়টা দেখে নেওয়া হবে।
৫) ৩০ জুন পর্যন্ত যাদের ফাইনাল পরীক্ষা রয়েছে, তাদের তার পরের দিন থেকেই চাকরিতে নিয়োগ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘টেস্ট করার ল্যাব বাড়ার ফলে আমরা প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টেস্ট করতে পারছি। ১৬ কোটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাউস ভিজিট করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রায় ৮ হাজার ডাক্তার ও ৯ হাজার নার্স কাজ করছেন।’
আক্রান্তের হার যেমন বেড়েছে তেমনই মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, "আমাদের ডিসচার্জ রেটও খুব ভালো। ১৬ জুন পর্যন্ত অ্যাক্টিভ কেস ৫,৩৮৬ জন, ডিসচার্জ হয়েছে ৬,০২৮ জন।"
করোনা চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মমতা বলেন, "বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে বলছি প্লিজ কোনও রোগী আসলে তাঁকে পরিষেবা দিন। তাঁর চিকিৎসা করুন। সে কোভিড হোক বা অন্য কোনও রোগে আক্রান্ত হোক, তার চিকিৎসা তো শুরু করতে হবে। তাকে তো স্টেবল করুন প্রথমে। তারপর টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসলে তখন না হয় কোভিড চিকিৎসা শুরু করবেন।’
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’