০৫ জুন, ২০২০ ১০:০৬ এএম

ডা. জাফরুল্লাহর শারীরিক অবস্থার অবনতি

ডা. জাফরুল্লাহর শারীরিক অবস্থার অবনতি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার আবারো অবনতি হয়েছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে হঠাৎই তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছিল।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পেজে বলা হয়, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্য সক‌লে দোয়া কর‌বেন। উনার শরীর ভা‌লো না। রাতে উনার শ্বাসকষ্ট ছিল। আপনা‌দের সক‌লের দোয়া খুব প্রয়োজন। তিনি বর্তমা‌নে উনার স্থা‌পিত প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতা‌লে চি‌কিৎসা নি‌চ্ছেন। গণস্বাস্থ্য কে‌ন্দ্রের বীর চি‌কিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী‌দের প্রতি বি‌শেষ ক‌রে ব্রিগেডিয়ার অধ্যাপক ডা. মামুন মুস্তাফি, অধ্যাপক ডা. নজীব এবং তা‌দের দলের প্রতি অকৃ‌ত্তিম ভা‌লোবাসা ও শ্রদ্ধা।

গত ২৫ মে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা হলে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা পজিটিভ আসে। পরদিন তার শরীরে প্লাজমা দেয়া হয়। পরে ৩০মে রাতে তৃতীয়বারের মতো ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি তাকে ব্রেথিং (শ্বাস-প্রশ্বাস) থেরাপি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত ছিল। এর একদিন পরে হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

এদিকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্ত্রী শিরিন হক ও ছেলে বারিশও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। শিরিন হক ইতিমধ্যে গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

করোনা শনাক্তের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক খোঁজখবর নেন।

প্রসঙ্গত, খ্যাতিমান চিকিৎসক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধা জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নামক স্বাস্থ্য বিষয়ক এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা। দেশের স্বাস্থ্য শিক্ষাখাত ও চিকিৎসা খাতে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। সম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতিতেও তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। দেশে করোনা রোগী শনাক্ত করণে তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত অ্যান্টিজেন কিট কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক