১৭ মে, ২০২০ ০১:০৮ পিএম

করোনাভাইরাস নিয়ে আমরা শঙ্কিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনাভাইরাস নিয়ে আমরা শঙ্কিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমরা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে এ ভাইরাস নিয়ে এখনও আমরা শঙ্কিত। এ ভাইরাসকে আমরা চোখে দেখি না, তার আকার-আকৃতি আমরা উপলব্ধি করতে পারি না। তবুও আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

রোববার (১৭ মে) বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে দেশে দুই হাজার বেডের কভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালের উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের শঙ্কা আরো বেড়ে যায়, যখন দেখি নানা রকম যানবাহনে করে মানুষ অবাধে যাতায়াত করছে, দোকানপাটগুলোতে কেনাকাটা করতে ভিড় জমাচ্ছে। এতে করে একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে এ ভাইরাস সংক্রমিত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। অথচ চিকিৎসকরা বলছেন এ ভাইরাসের এখন পর্যন্ত একমাত্র ওষুধ হলো সংক্রমণ রোধ করা। যেসকল সংস্থা এসবের দায়িত্বে রয়েছেন, তাদেরকে আরো কঠোর হতে হবে। এটা স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের কাজ নয়।

তিনি বলেন, দেশের এ অবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় তার নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে। আমরা শুরুতেই একটা সিস্টেম প্রটোকল তৈরি করেছি। সাধারণ জনগনের মধ্যে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে তাদেরকে সচেতন করার চেষ্টা করছি, আমরা হাসপাতালের ব্যবস্থা করেছি, আমরা পরীক্ষার ব্যবস্থা করছি, চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত প্রটেকশানের ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরো বলেন, করোনা পরীক্ষায় শুরুতে আমাদের ১টি মাত্র ল্যাব ছিলো। সেখানে মাত্র ১৫০ টি টেস্ট নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম। আর এখন প্রতিদিন আমাদের টেস্ট হয় ৮/ সাড়ে ৮ হাজার। আমাদের ল্যাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪০টিতে। খুব দ্রুতই আরো ১৫টি ল্যাব স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। তাহলে আমাদের টেস্টের সংখ্যাও আরো বেড়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সব মিলিয়ে এখানে দুই হাজার ১৩টি শয্যা রয়েছে। আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে এটি দেশে সবচেয়ে বড়। এখানে ৪০০টি বেডে অক্সিজেন দেওয়ার সুবিধা আছে। এসময় কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় সরকারের পাশে দাঁড়ানোয় বসুন্ধরা গ্রুপকে ধন্যবাদ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস ‘হঠাৎ করে’ এসেছে; এর চিকিৎসা না থাকায় উন্নত-অনুন্নত সব দেশই বিপাকে পড়েছে। চায়না বৃহৎ শক্তি, তারাও এলোমেলো হয়ে গেছে, এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ইউরোপ-আমেরিকাও হিমশিম খাচ্ছে এই রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে। সব জায়গায় আঘাত করেছে। আমরাও এর বাইরে নয়। আমরা শুরুতেই রোগটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, আইসিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক এবং নিউজ টুয়েন্টিফোর এর সিইও নঈম নিজাম, নিউজ টুয়েন্টিফোর এর প্রধান বার্তা সম্পাদক রাহুল রাহা, দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

  ঘটনা প্রবাহ : করোনাভাইরাস
দাফন করা যাবে পারিবারিক কবরস্থানে

মৃত দেহে তিন ঘণ্টা সক্রিয় থাকে করোনাভাইরাস

দাফন করা যাবে পারিবারিক কবরস্থানে

মৃত দেহে তিন ঘণ্টা সক্রিয় থাকে করোনাভাইরাস

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি