করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়ালো
মেডিভয়েস রিপোর্ট: করোনায় মৃত্যুর মিছিল যেনো ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ১৮ দিনে মৃতের সংখ্যা এক লাখ বেড়ে দাড়িয়েছে ৩ লাখ ২ হাজার ৪৬২। অন্যদিকে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭৯৩ জন। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৩৬৫ জন।
শুক্রবার (১৫ মে) যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা রিসোর্স সেন্টার এসব তথ্য জানা যায়।
তাদের তথ্যমতে, সারাবিশ্বে মৃত্যুর ঘটনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। আর মৃত্যুর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ঘটেছে ইউরোপে। যদিও ইউরোপের দেশগুলোতে ভাইরাসের সংক্রমণ স্থিতিশীল বা অনেক ক্ষেত্রে কমে এসেছে। নতুন করে সংক্রামণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে।
মৃত্যুর মিছিল এগিয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছ ৮৫ হাজার ৯০৬ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৪ লাখ। তবে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪৬ হাজার ৪১৪ জন সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
অপরদিকে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশ আক্রান্ত যুক্তরাজ্যে। দেশটিতে মারা গেছেন ৩৩ হাজার ৬৯৩ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪০ জন। এরপরেই রয়েছে ইতালি, দেশটিতে প্রাণহানি ঘটেছে ৩১ হাজার ৩৬৪ জনের। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৩ হাজার ৯৬ জন। তবে দেশটিতে ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লাখ ১২ হাজার ৫৪১ জন। এছাড়াও মৃত্যুর শীর্ষে রয়েছে স্পেন ও ফ্রান্স। দেশ দুটিতে মৃতের সংখ্যা যথাক্রমে ২৭ হাজার ৩২১ এবং ২৭ হাজার ৪২৪। উল্লেখ্য ইউরোপের দেশগুলোতে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে।
এছাড়াও ব্রাজিলে ১৩ হাজার ৯৯০, বেলজিয়াম ৮ হাজার ৯০৩, জার্মানি ৭ হাজার ৮৮৪, ইরান ৬ হাজার ৮৫৪, নেদারল্যান্ডসে ৫ হাজার ৬০৯ এবং কানাডায় ৫ হাজার ৫৯২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
ইউরোপের পর করোনার নতুন হটস্পট এশিয়া। এশিয়ার দেশ সমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ইরান। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৮৫৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছ। এরপরই করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৭ জন, ভারতে ২ হাজার ৬৪৯, রাশিয়ায় ২ হাজার ৩০৫, ইন্দোনেশিয়ায় ১ হাজার ৪৩ এবং পাকিস্তানে ৮০৩ জন মারা গেছেন।
এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি করোনায় আক্রান্ত রাশিয়ায়, দেশটিতে ২ লাখ ৫২ হাজার ২৪৫ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে যা বিশ্বে দ্বিতিয় সর্বোচ্চ। এরপরেই রয়েছে ইরান এবং ভারতের অবস্থান।
প্রসঙ্গত চীনের উহান থেকে গত ডিসেম্বরে চড়িয়ে পরে নভেল করোনাভাইরাস যা কোভিড-১৯ নামেও পরিচিত। উৎপত্তির ১৫৩ দিনে ভাইরাসটি ইতোমধ্যেই পৃতিবীর প্রায় সব দেশে ছড়িয়েছে। মারাত্মক সংক্রামক ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধে গৃহবন্দি রায়েছে পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি মানুষ। বানিজ্য অর্থনীতিসহ প্রায় সব ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে স্থবিরাতা।
এ বিপর্যয় সহসায় কাটছে না বলে এরই মধ্যে বিশ্বকে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাদের মতে পৃথিবী হয়তো কখনোই করোনামুক্ত হবে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণ করাই এর থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় মনে করে সংস্থাটি।
-
০৮ জুলাই, ২০২৫
-
২৪ জুন, ২০২৫
-
২৩ জুন, ২০২৫
-
১৯ জুন, ২০২৫
-
১৮ জুন, ২০২৫
-
১৪ জুন, ২০২৪
-
০৭ জুন, ২০২৪
-
০৩ জুন, ২০২৪
সরকারের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে
সরকারি হাসপাতালে ১৭ আগস্টের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিতের নির্দেশ