অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক
মেডিভয়েস রিপোর্ট: জাতীয় অধ্যাপক ও উপমহাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান স্বাক্ষরিত এক শোকবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান জাতির জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে ছিলেন আশীর্বাদস্বরুপ। তিনি দুই বাংলার মানুষের কাছেই প্রিয়মুখ ছিলেন।তাঁর অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী দেশের পাশাপাশি গোটা পৃথিবীতেই ছড়িয়ে রয়েছে। তাঁর মতো একজন গুণী শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। কোন কিছুর বিনিময়েই এই ক্ষতি পুরণ হবার নয়।
এ সময় মন্ত্রী মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান ও তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
এর আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান গণমাধ্যমকে জানান, বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।
এরও আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যার কারণে গত ২৭ এপ্রিল রাজধানীর ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। সেখানে তিনি চিফ কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক খন্দকার কামরুল ইসলামের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। পরে তার অবস্থা উন্নতি না হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে গত ২ মে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করেন। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত ৯ মে তাকে সিএমএইচে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ভারত ভাগের পর তার পরিবার এপার বাংলায় চলে আসে। তিনি ছয় দশকেরও বেশি সময় ঢাকা এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। অনাবিল সমাজ হিতৈষী, গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল চেতনা, সুশীল বুদ্ধিবৃত্তিকর চর্চা, ধর্মান্ধতা ও মৌলবাদবিরোধী নানা কর্মকাণ্ডে দিয়ে নিজেকে পরিণত করেছিলেন দেশের অগ্রগণ্য পুরুষে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সিদ্দিকা জামান, দুই মেয়ে রুচিবা ও শুচিতা এবং একমাত্র ছেলে আনন্দসহ অংসখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
-
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
০৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
-
১২ নভেম্বর, ২০২৩
-
০৭ নভেম্বর, ২০২৩
-
২৭ অক্টোবর, ২০২৩