ডেঙ্গু সচেতনতা বৃদ্ধিতে ড্যাবের সায়েন্টিফিক সেমিনার
মেডিভয়েস রিপোর্ট: সারাদেশে ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করায় ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক সায়েন্টিফিক সেমিনার ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় হলি ফ্যামিলি রেডক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের অডিটোরিয়ামে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে এ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত এবং বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম।
ড্যাবের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে সেমিনারের সঞ্চালনা করেন ড্যাবের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।
সেমিনারে ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদের বলেন, ডেঙ্গু আসলে একটি অত্যন্ত ‘আনপ্রিডিক্টেবল ডিজিজ’। ভাইরাসজনিত এই রোগের গতিপ্রকৃতিও অনেকটা অনির্দেশ্য এবং নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা এখনো নেই।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার অন্যান্য অনেক রোগের তুলনায় হয়তো খুব বেশি নয়। কিন্তু সমস্যাটা হলো, এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর শরীরের কোন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কখন আক্রান্ত হবে, তা আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। কারও ক্ষেত্রে তেমন কোনো জটিলতা হয় না এবং তিনি সুস্থ হয়ে যান। আবার কারও লিভার আক্রান্ত হতে পারে, কারও প্যানক্রিয়াস আক্রান্ত হতে পারে, কারও হৃদ্যন্ত্রসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ আক্রান্ত হতে পারে। এমনও দেখা যায়, একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চার-পাঁচ-ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি আরও বলেন, অন্যান্য অনেক রোগের ক্ষেত্রে আমরা রোগের গতিপ্রকৃতি কিছুটা অনুমান করতে পারি এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে পারি। কিন্তু ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে রোগটি জটিল পর্যায়ে চলে যাওয়ার পর অনেক সময় আমাদের করার সুযোগ খুবই সীমিত হয়ে যায়। মূলত আমরা উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়ে থাকি।
ডা. হারুন আল রশিদের বলেন, আজকের বৈজ্ঞানিক আলোচনায় একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে—ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমাদের মূল লক্ষ্য হতে হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা।
এ কাজ শুধু সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে, যেখানে বছরের প্রায় পুরো সময়জুড়েই বৃষ্টিপাত হয়, জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক বেশি এবং আমাদের জীবনযাপন ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেখানে ডেঙ্গু থেকে দ্রুত ও স্থায়ীভাবে পরিত্রাণ পাওয়া সহজ নয়। শুধু চিকিৎসক, সাংবাদিক বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষেও সম্ভব নয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার, চিকিৎসক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সর্বোপরি দেশের সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হবে এমনভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা, যাতে মানুষকে পরবর্তীতে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে না হয় এবং ডেঙ্গুতে অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রাণহানি না ঘটে। ভবিষ্যতেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও ড্যাব এর প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার তার বক্তব্যে ডেঙ্গুর বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরেন। বলেন, কয়েকদিন আগে আমার অত্যন্ত পরিচিত একজন আমাকে জানালেন, তাঁর খুব আদরের ১০ বছরের একটি মেয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে, রিপোর্টও মোটামুটি ভালো ছিল। চিকিৎসকরাও তাকে পর্যবেক্ষণ করে বাসায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর মেয়েটি স্বাভাবিকভাবেই ছিল। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খেলছিল, বাবার কোলে ছিল। কিন্তু হঠাৎ বিকেল পাঁচটার দিকে সে বাবাকে বলল, তার শরীর খারাপ লাগছে। এরপর মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে শিশুটি মারা যায়। অর্থাৎ, হাসপাতাল থেকে তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সুযোগও পরিবারটি পায়নি।
তিনি বলেন, এ ঘটনা আমাদের সবাইকে অত্যন্ত সতর্ক হওয়ার শিক্ষা দেয়। চিকিৎসকদেরও এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীর অবস্থা কখন পরিবর্তিত হচ্ছে, তা ঘণ্টায় ঘণ্টায় পর্যবেক্ষণ করার প্রয়োজন হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আজকের উপস্থাপনায় আমরা হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোর যে চিত্র দেখলাম, সেটিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এমন পরিস্থিতিতে যেখানে একজন চিকিৎসকের পক্ষে রোগীর কাছে পৌঁছানোই কঠিন হয়ে পড়ে, সেখানে চিকিৎসাসেবা কীভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব—এ বিষয়টি আমাদের নীতিগতভাবে ভাবতে হবে।
ডা. ফরহাদ আলিম ডোনার বলেন, আমাদের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুর সময় রোগীর চাপ অনেক বেড়ে যায়। হলি ফ্যামিলি হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালেই তখন পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। আমি মনে করি, এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় আমাদের একটি ‘স্পেশাল ফোর্স’ গঠন করা যেতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এমন একটি প্রশিক্ষিত জনবল রাখা যেতে পারে, যারা স্বাভাবিক সময়ে অন্য কাজে থাকবে, কিন্তু ডেঙ্গু বা অন্য কোনো বড় স্বাস্থ্য সংকট দেখা দিলে তাদের দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে মোতায়েন করা যাবে।
উদাহরণ দিয়ে বলেন, এক মাস বা দুই মাসের জন্য কোনো হাসপাতালে অতিরিক্ত ১০০ জন জনবল প্রয়োজন হলো। তখন এই প্রশিক্ষিত টিমের সদস্যদের সেখানে পাঠানো যাবে। এর ফলে সংকটের সময় হাসপাতালের ওপর অতিরিক্ত চাপ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, আরেকটি বড় সমস্যা হলো চিকিৎসকের সংকট। বলেন, একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন চিকিৎসকের পদ রয়েছে, কিন্তু সেখানে বাস্তবে হয়তো পাঁচজন চিকিৎসকও নেই। অথচ সেই উপজেলায় রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন ১০০-এর বেশি। ফলে একদিকে চিকিৎসকের সংকট, অন্যদিকে বেডের সংকট—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।
জনবল ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, শুধু চিকিৎসক নয়, হাসপাতালের সার্বিক অবকাঠামোর বিষয়টিও আমাদের দেখতে হবে। পর্যাপ্ত নার্স, ব্রাদার, ওয়ার্ডবয়, সুইপারসহ প্রয়োজনীয় জনবল না থাকলে একজন চিকিৎসক একা কীভাবে এত রোগী সামলাবেন?
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা যখন কোনো হাসপাতালে গিয়ে দেখেন যে চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না, তখন শুধু এই তথ্যটি প্রকাশ না করে একটু বিশ্লেষণও করুন—সেখানে আসলে কতজন চিকিৎসকের পদ রয়েছে, কতজন চিকিৎসক কর্মরত আছেন এবং একজন চিকিৎসককে কতসংখ্যক রোগী দেখতে হচ্ছে। সেটিও জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।
তিতি বলেন, চিকিৎসকদের মধ্যে এখন এক ধরনের ভয় তৈরি হচ্ছে। তাঁরা চিকিৎসা দিতে গিয়ে সবসময় চিন্তা করেন—কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে কী হবে, কীভাবে সেটি ব্যাখ্যা করা হবে।
চিকিৎসকরা চিকিৎসা করতেই ভয় পান আমরা চাই না জানিয়ে বলেন, মিডিয়ার সমালোচনা অবশ্যই থাকবে, জনগণের প্রশ্নও থাকবে। কিন্তু একই সঙ্গে চিকিৎসকদের কাজের পরিবেশ ও বাস্তব সীমাবদ্ধতাগুলোও আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা একটি কথা সবসময় বলি ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। আজ আমরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করছি। কিন্তু আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, মানুষ যেন ডেঙ্গুতেই আক্রান্ত না হয়।
ডোনার বলেন, এ জন্য পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মানুষকে সচেতন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে জনগণকে সম্পৃক্ত করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম. এ. মুহিত বলেন, আমাদের প্রথম কাজ হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা। জনগণের আমাদের ওপর এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। আমরা আমাদের সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে একটি সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রথম কাজ হচ্ছে প্রতিরোধ। এডিস মশার প্রজননস্থল ও লার্ভা ধ্বংস করতে হবে এবং এর জন্য জনগণের ব্যাপক সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। শুধু সরকার বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠান একা পুরো দেশ পরিষ্কার রাখতে পারবে না। তাই জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করেই এই কাজ করতে হবে। এ কারণেই সরকারিভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতি শনিবার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মশা নিয়ন্ত্রণ ও লার্ভা ধ্বংসের কাজে যুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘমেয়াদে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভ্যাকসিন নিয়েও আমাদের ভাবতে হবে। বিশ্বে বর্তমানে কয়েকটি সম্ভাবনাময় ডেঙ্গু ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা চলছে। আমাদের দেশেও ডেঙ্গুর বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট দেখা যায়। তাই ভবিষ্যতে ভ্যাকসিনের বিষয়টিও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে।
এবারের ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে আমরা আগের মতো ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নিইনি জানিয়ে বলেন, প্রায় তিন মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি শুরু করেছি। নিপসম ও আইইডিসিআরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের তথ্য ও পরিকল্পনায় সহযোগিতা করেছে। তবে, শুধু প্রতিরোধ করলেই হবে না। যারা আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের আর্লি ডায়াগনোসিস, টাইমলি রেফারেল এবং উন্নত ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সোসাইটি অব মেডিসিনের সহযোগিতায় ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্টের স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় দুই হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
আমাদের পরিকল্পনার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—প্রতিরোধ, দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা। এর মাধ্যমে আমরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যুহার কমাতে চাই। এ কাজে জনগণ ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের সরকারের স্বাস্থ্য খাতের একটি বড় লক্ষ্য—সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে অংশগ্রহণমূলকভাবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা।
তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গু, হামসহ সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে আপনারা চিকিৎসকদের চেয়েও বড় পরিসরে জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারেন। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর শুধু সংবাদ প্রকাশ নয়, ঘটনার আগেই মানুষকে সচেতন করার কাজে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এমআই/