প্রান্তিকে চক্ষুসেবা ও গবেষণা: এসিওআইএন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত ডা. আসিফ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: কমিউনিটি ও প্রান্তিক পর্যায়ে চক্ষুসেবায় অবদান এবং গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতে সম্মানজনক ড. শরৎচন্দ্র এনডাওমেন্ট এসিওআইএন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. সৈয়দ মুহাম্মদ আসিফুর রহমান।
গত ২৪-২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত এসিওআইএন আন্তর্জাতিক কর্মসূচির রজতজয়ন্তী উদযাপন-২০২৬ অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কমিউনিটি পর্যায়ে গবেষণারত চক্ষু বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ করেন। এতে কমিউনিটি চক্ষুবিজ্ঞান, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চক্ষুসেবা এবং চক্ষুস্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটি পর্যায়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চক্ষুসেবা, জনসচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চক্ষু বিশেষজ্ঞদের এসিওআইএন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
নিজের অর্জন নিয়ে আল্লাহ তায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের পাশাপাশি বাবা-মায়ের সার্বক্ষণিক দোয়া ও স্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন ডা. আসিফুর রহমান।
পুরস্কার অর্জনের নেপথ্যে তৃণমূলে কাজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে ডা. আসিফ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের জন্য কাজ করতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা অর্জন করেছি, তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া নিঃসন্দেহে আনন্দের ও সম্মানের।’
‘সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যখন নিজের দেশের পতাকাকে প্রতিনিধিত্ব করা হয়, তখন ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে দেশের পরিচয়টাই বড় হয়ে ওঠে।’
ডা. সৈয়দ মুহাম্মদ আসিফুর রহমান দেশের পার্বত্য ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চক্ষুস্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগে বাংলাদেশের অন্যতম সম্মানজনক এমএ মতিন গোল্ড মেডেল অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অর্জন করেন।
চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর চক্ষুবিজ্ঞানে এফসিপিএস, এমসিপিএস সম্পন্ন করেন ডা. সৈয়দ মুহাম্মদ আসিফুর রহমান। একই বিষয়ে তিনি আইসিও ও কমিউনিটি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকার ভিশন আই ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক এবং দৃষ্টি আই হাসপাতালে কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত। তিনি ছানি, কর্নিয়া, ল্যাসিক ও প্রতিসরণজনিত অস্ত্রোপচার এবং চোখের আঘাতের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।
পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের প্রান্তিক ও কমিউনিটি পর্যায়ে চক্ষুসেবা, জনসচেতনতা এবং গবেষণামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে নিয়মিত যুক্ত রয়েছেন এই তরুণ চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ।
এমইউ/