২৩ জুন, ২০২৬ ১২:১৭ পিএম

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফুটবল বিশ্বকাপে হাইড্রেশন বিরতি

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফুটবল বিশ্বকাপে হাইড্রেশন বিরতি
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো হাইড্রেশন ব্রেক বা পানি পান বিরতি চালু করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা (ফিফা)। ফিফার নতুন এই নিয়ম নিয়ে চলছে প্রচুর আলোচনা-সমালোচনা। অনেকে মনে করছেন এতে খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার কেউ মনে করছেন এতে খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ছে।

ফিফা বলছে উত্তর আমেরিকায় গ্রীষ্মকালীন তীব্র গরম ও আর্দ্রতা থেকে ফুটবলারদের হিট স্ট্রোক বা পানিশূন্যতা থেকে বাঁচাতে এই বিরতি বাধ্যতামূলক করেছেন তারা। এই বিরতি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষত উষ্ণ আবহাওয়ায় ডিহাইড্রেশন বা অতিরিক্ত গরমের কারণে শক্তি কমে যাওয়া, ঘাম ও ইলেকট্রোলাইট ক্ষতির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।

খেলার মধ্যেই পানি ও ইলেকট্রোলাইট গ্রহণ করলে ফুটবলাররা খেলার পারফরম্যান্স ও মনোযোগ ঠিক রাখতে পারবে।

হাইড্রেশন বিরতির নিয়ম 

প্রতিটি ম্যাচের প্রথম হাফের ২২ মিনিটের পর ও দ্বিতীয় হাফের ২২ মিনিটের পর (খেলার মোট মিনিট হিসেবে প্রায় ৬৭ মিনিটে) তিন মিনিট করে ছয় মিনিটের বিরতি।

হাইড্রেশন বিরতির সময়

ম্যাচ চলাকালীন বল স্বাভাবিকভাবে ডেড-বল বা খেলার বাইরে থাকলে রেফারি বাঁশি বাজিয়ে খেলা থামিয়ে বিরতি দিবেন।

বিতর্ক

যদিও ফিফা বলছে হাইড্রেশন বিরতি খেলোড়দের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দেওয়া হচ্ছে কিন্তু অনেক কোচ ও ফুটবলার মনে করেন, এই বিরতি ম্যাচের স্বাভাবিক গতি ও আক্রমণাত্মক ছন্দ নষ্ট করবে। তাছাড়া টেলিভিশন সম্প্রচারকারী বা ব্রডকাস্টাররা এটিকে বিজ্ঞাপনের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করায় আগত দর্শকরাও এর সমালোচনা করছেন।

বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচে বাধ্যতামূলক

মেক্সিকো, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র গরম ও আর্দ্রতার মধ্যে খেলোয়াড়দের চাঙ্গা রাখতে বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচেই বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের এই পানিবিরতির (হাইড্রেশন ব্রেক) নিয়ম চলবে। অর্থাৎ যেসব স্টেডিয়ামে ছাদ খোলা-বন্ধের সুবিধা আছে কিংবা মাঠ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত হোক বা না হোক, বিরতি থাকবেই।

এইউ/ 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও
একদিনেই অবস্থান বদল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও