১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:৫৫ পিএম

চিকিৎসকের আন্তরিক ব্যবহার রোগীর জন্য ওষুধের মতোই: প্রধানমন্ত্রী

চিকিৎসকের আন্তরিক ব্যবহার রোগীর জন্য ওষুধের মতোই: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: মেডিভয়েস

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চিকিৎসকের আন্তরিক উপদেশ ও সদয় ব্যবহার রোগীর জন্য ওষুধের মতোই কাজ করে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চিকিৎসা পেশাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে করে চিকিৎসকদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইউএইচএফপিওদের নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা চিকিৎসকগণ, রোগে-শোকে কাতর মানুষটির পরম বন্ধু হয়ে উঠেন। চিকিৎসকগণ সত্যিকারার্থে মানুষের বিপদের বন্ধু। এটি আমি আমার নিজের ঘর দিয়ে বলতে পারি। একজন চিকিৎসকের উপদেশ, আন্তরিক ব্যবহার, একজন রোগীর কাছে প্রায় সব সময় ওষুধের মতো কাজ করে। ফলে একজন চিকিৎসকের জন্য পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি একজন মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে ওঠা অত্যন্ত প্রয়োজন, অত্যন্ত জরুরি। যে কোনো শ্রেণী-পেশার মানুষের চেয়ে চিকিৎসা পেশার ভূমিকা সবেচেয়ে বেশি এবং গুরুত্বপূর্ণ।’

‘এমন বাস্তবতায় আজকের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের এই সম্মেলন অবশ্যই এই জাতির জন্য, দেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে এতক্ষণ বিভিন্ন বক্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন—যোগ করেন তিনি। 

বর্তমান সরকার সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ—এ রকম একটি দেশ ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে চায় জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে স্বাস্থ্যনীতির রূপরেখা তুলে ধরেছিলাম। চিকিৎসা ব্যবস্থায় বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর, অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। নিশ্চয় আপনাদের অভিজ্ঞতার আলোকেও এ কথাটি আপনারা বলবেন। আমরা যদি রোগের শুরুতেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে পারি, তাহলে রোগের বিস্তার মোকাবিলা অনেক ভালোভাবে সম্ভব। আমাদের এ নীতি বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।’

তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, বিশেষায়িত হাসপাতাল অথবা উন্নত ল্যাব—প্রায় সব কিছুই শহরকেন্দ্রিক কিংবা আরও সুনির্দিষ্টভাবে যদি আমরা বলতে চাই, তাহলে অবশ্যই রাজধানী ঢাকাকেন্দ্রিক। এ করম বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে এসে যদি আমরা জেলা-উপজেলা ভিত্তিক হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলোর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে পারি বা চাই, তাহলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ যেমন জেলা-উপজেলায় চিকিৎসা দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন; অপরদিকে রোগীদেরকে শারীরিক এবং আর্থিকভাবে আরও কষ্ট করে ঢাকামুখী হতে হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শহর এবং গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রিকরণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের কাজও শুরু করেছে। যদিও এটি আমরা সকলে বুঝি, এই কাজটি এক মাস কিংবা এক বছরেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।’

তারেক রহমান ‘সম্মানিত উপস্থিতিবৃন্দ, বিভিন্ন পরিসংখ্যান এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ বলেন, দেশের মোট মৃত্যুর ৭১ ভাগ অসংক্রামক রোগের কারণেই হয়ে থাকে। সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে উপযুক্ত ও সচেতনতা সৃষ্টি করার পাশাপাশি অসংক্রাম রোগ প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে প্রণীত ঘোষণা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিবেশগত বিপর্যয় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতের কারণে সংক্রামক রোগের পাশাপাশি অসংক্রামক রোগ, যেমন—শ্বাস কষ্ট, স্ট্রোক, হৃদরোগ ইত্যাদি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। এসব কারণে উপজেলা পর্যায়ে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপের মতো অসংক্রামক রোগের স্ক্রিনিংও নিয়মিত করা প্রয়োজন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জীবন যাপনের ধারা পরিবর্তন করার ব্যাপারে জনগণের মধ্যে অবশ্যই সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি, যা আপনাদের মাধ্যমেই করা অনেক সহজ।

তিনি বলেন, ভেজাল এবং পুষ্টি সচেতন খাদ্য নিশ্চিত করা শহরের চেয়ে জেলা উপজেলা পর্যায়ে বেশি সহজ। মনে রাখা দরকার, প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনাই জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার মৌলিক ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তারা (ইউএইচএফপিও) বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কর্মযজ্ঞে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং সদস্যরা প্রথম সারির যোদ্ধা। হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট এবং হেলথ কেয়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ম্যানেজমেন্ট’ একটি অপরটির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

‘একজন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে নিজ নিজ কর্মস্থলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনার কাজটিও সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে হয়। কারণ, হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট এবং হেলথ কেয়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ম্যানেজমেন্ট এই দুটি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় এবং সমউন্নয়ন না হলে স্বাস্থ্য সেবায় কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলবে না—উল্লেখ করেন তারেক রহমান।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে ওষুধ শিল্প, চিকিৎসা সামগ্রী, স্বাস্থ্য সেবা, মডার্ন হেলথ টেকনোলোজি এবং মেডিকেল বায়োটেকনোলজির মতো অনেকগুলো দিক রয়েছে। সেজন্যই দেশের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে বিএনপি সরকারের বিস্তারিত পরিকল্পনা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার ক্রমান্বয়ে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 

আমেরিকার একজন বিখ্যাত পুষ্টিবিদ প্রয়াত ‘জ্যাক লালেন’ এর একটি উক্তি উল্লেখ করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আজকের স্বাস্থ্যসেবা ভবিষ্যতের বিনিয়োগ’। এ কারণেই যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) জেনারেল প্র্যাকটিশনার-জিপির আদলে প্রতিটি উপজেলা এবং পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন করার চিন্তা রয়েছে। এই স্বাস্থ্যসেবা ইউনিটগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে সারা দেশে এক লাখ ‘হেলথ কেয়ার’ নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই হেলথ কেয়ারারদের ৮০ শতাংশই হবেন নারী। হেলথ কেয়াররা মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে জনগণকে প্রাথমিক হেলথ কেয়ার দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন।

ভবিষ্যতের স্বার্থে যে কোনো মূল্যে আমাদের মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে পরিপূর্ণ মাতৃত্বকালীন সেবা, নিরাপদ সন্তান প্রসব, নবজাতক এবং শিশু স্বাস্থ্যসেবার নিরাপদ স্থানে পরিণত করতে হবে। 

সারা দেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়ার ফলে বিগত দুই সরকারের ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ ক্ষমাহীন অপরাধ। ভবিষ্যতে আর কখনোই যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। বর্তমান সরকার সারা দেশে জরুরি ভিত্তিতে ‘হামে’র টিকা দিয়ে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়ায় আল্লাহর রহমতে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের ঐকান্তির প্রচেষ্টার ফলে এটা আমরা রোধ করতে সক্ষম হবো। 

এজন্য আমি সব চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। যারা তাদের প্রিয় সন্তান হারিয়েছেন সেই সব পিতামাতা এবং স্বজনদের কাছে আমি ব্যক্তিগতভাবে আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে জবাবদিহিতার আওতায় এনে নাগরিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা এটি নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের করুনা নয় বরং সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য, সুচিকিৎসা পাওয়া নাগরিকদের মৌলিক অধিকার। 

সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমানে সরকার শিগগিরই একটি সমন্বিত ই-হেলথ কার্ড চালু করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্য তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকবে। এতে যে কোনো নাগরিক প্রয়োজনে দেশের যে কোনো হাসপাতালে সহজেই চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে। এর পাশাপাশি বর্তমান সরকার ধাপে ধাপে একটি জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে কোনো নাগরিক চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে আরও উন্নত করা, প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজ ও কার্যকর করা আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, নাগরিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হলে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের আবাসন, নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়টি সম্পর্কেও সরকার অবশ্যই ওয়াকিবহাল। এ ব্যাপারে সরকার সাধ্যমতো যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে বদ্ধ পরিকর। এই সম্মেলনের মাধ্যমে আমি কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই, সেটি হলো প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিজ নিজ এলাকায় একটি কার্যকর, জবাবদিহিমূলক এবং মানবিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দেবেন। একটি সুস্থ জাতি গড়ার যে স্বপ্ন আমরা দেখি, সেই আকাঙক্ষা বাস্তবায়নের আপনারাই মূল কারিগর।

প্রধানমন্ত্রী ‘আমরা সবাই মিলে এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যা হবে সবার জন্য সহজলভ্য, কার্যকর এবং মানবিক।’

তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনারা একটি জবাবদিহিমূলক, টেকসই এবং জনগণকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। আপনাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ এলাকার কর্মস্থলকে একটি মডেল স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে পরিণত করবেন।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ইউএইচএফপিওরা বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ডায়াগনোস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানে ইউএইচএফপিওগণকে প্রায়শ অভিযান চালাতে হয়। তাই জনগণের স্বাস্থ্যসেবার মান ঠিক রাখতে এই সকল অভিযান পরিচালনার জন্য ইউএইচএফপিওদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ক্ষমতা বা আইন প্রয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা দরকার।’

এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসকদের পক্ষ থেকে কলাপাড়ার ইউএইচএফপিও ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারীর দুর্ঘটনার তথ্য তোলে ধরা হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ ঘটনায় গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘ইউএইচএফপিওর দুর্ঘটনায় নিপতিত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। ওই সময় ‍উনার মাথায় যদি হেলমেট থাকতো, বিষয়টি অত গুরুতর না-ও হতে পারে পারতো। একজন স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে এই বিষয়টা যদি আপনি অনুসরণ করেন, তাহলে অন্যদেরকেও বলতে পারবেন। এটা একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ। তাই নয় কি?’

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক