‘জলাতঙ্ক প্রতিরোধে রেবিস টিকা সংগ্রহ ও উপজেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে’
মেডিভয়েস রিপোর্ট: জলাতঙ্ক প্রতিরোধে সরকার নগদ অর্থ দিয়ে রেবিস টিকা সংগ্রহ করছে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, প্রতিটি উপজেলায় তা সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে এই টিকার কোনো সংকট থাকবে।
আজ শনিবার (৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে নির্ধারিত সময়েও প্রায় অর্ধেক চিকিৎসক কর্মস্থলে উপস্থিত হতে না পারার বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাছে ধরা পড়ে।
জানা গেছে, হাসপাতালে কর্মরত ২১ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৫ জন আজ ছুটিতে রয়েছে। বাকি ১৬ জনের আটজন যথাসময়ে উপস্থিত হন। বাকি ছয় নির্ধারিত সময়ের খানিক পরে উপস্থিত হন। এর মধ্যে দুইজন অনুপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোজ-খবর নেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকরা সময়মতো হাসপাতালে আসেন না—এমন অভিযোগ আমরা পেয়েছিলাম। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আজ সকালে পরিদর্শনে এসে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। কর্তব্যরত ১৬ জন চিকিৎসকের মধ্যে মাত্র ৮ জন উপস্থিত ছিলেন। বাকিদের সময় মতো পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসকরা অত্যন্ত মানবিক একটি পেশায় নিয়োজিত আছেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে, আর তা চিকিৎসকদের মাধ্যমেই সম্ভব। কিন্তু তারা যদি সময়মতো কর্মস্থলে উপস্থিত না হন, তাহলে সেবা ব্যাহত হয়। যারা অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, দেশে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে ব্যবহৃত রেবিস টিকার ঘাটতি দূর করতে সরকার নগদ অর্থ দিয়ে টিকা সংগ্রহ করছে এবং প্রতিটি উপজেলায় তা সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে এই টিকার কোনো সংকট থাকবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদ, পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কাজী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলাম, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কুতুবুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এমআই/