১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:৩৫ পিএম

ইথিওপিয়ায় প্রথমবারের মতো মারবার্গ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত

ইথিওপিয়ায় প্রথমবারের মতো মারবার্গ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে নয়জনের দেহে মারবার্গ ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো সেখানে মারবার্গ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দ্রুত ও স্বচ্ছ পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তাঁর মতে, দ্রুত সাড়া দেওয়ার এই সক্ষমতা দেশটির প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে।

ডব্লিউএইচও জানায়, ‘ভাইরাল হেমোরেজিক জ্বরের সন্দেহভাজন ঘটনা’ শনাক্ত হওয়ার পর স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তদন্তে নামে। এর পরদিনই মারবার্গ সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

ফিলোভিরিডি পরিবারের সদস্য মারবার্গ ভাইরাস ইবোলার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এবং অনেক ক্ষেত্রে ইবোলার চেয়েও মারাত্মক বলে বিবেচিত। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) একে ‘বিরল কিন্তু তীব্র’ হেমোরেজিক জ্বর হিসেবে অভিহিত করেছে, যা দ্রুত প্রাণঘাতী হতে পারে।

মিশরীয় ফল-খেকো বাদুড়কে এই ভাইরাসের উৎস হিসেবে ধরা হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক বা বিছানার চাদরের মতো সামগ্রীর সংস্পর্শ থেকেও এটি ছড়াতে পারে। জ্বর, ফুসকুড়ি, তীব্র রক্তক্ষরণসহ নানা উপসর্গ দেখা যেতে পারে। সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, মারবার্গের এখনো কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা টিকা নেই; তবে বিশেষ পরিচর্যা, বিশ্রাম ও যথাযথ হাইড্রেশন রোগীর অবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারে।

ইথিওপিয়ার বাইরে আফ্রিকার অন্য কোনো দেশে এখনো ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার খবর মেলেনি। এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ জানিয়েছে, প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ, রোগীর চিকিৎসা এবং সীমান্তের বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় ইথিওপিয়াকে সর্বাত্মক সহায়তা দিচ্ছে তারা।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।