এমবিবিএস ভর্তি: কোটার প্রার্থীদের সনদপত্র যাচাই শুরু বৃহস্পতিবার
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের সনদপত্র যাচাই শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি)। পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর প্রার্থীদের সনদ যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে এ কার্যক্রম।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার এবং রোববার (২৬ জানুয়ারি) পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর (পার্বত্য জেলার উপজাতীয় ও অ-উপজাতীয় এবং অন্যান্য জেলার উপজাতীয়) কোটায় নির্বাচিত প্রার্থীদের সনদপত্র যাচাই করা হবে। পরে ২৭, ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের সনদপত্র যাচাই করা হবে।
সংরক্ষিত আসনে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের কোটার স্বপক্ষে সনদ বা প্রমাণকসহ নির্দিষ্ট দিন সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার (২০ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) ও ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমীন স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই তথ্য জানানো হয়। ওই নোটিশে মঙ্গলবারের মধ্যে (২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের কোটা সংক্রান্ত দলিলের সফট কপি ই-মেইলে প্রেরণ করতে বলা হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল গত ১৯ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) প্রণীত ভর্তি নীতিমালার ৯.৩ নম্বর অনুচ্ছেদে মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান এবং পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর কোটার আসনে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি কর্তৃক যাচাই বাছাইপূর্বক অনুমোদনক্রমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে বলে উল্লেখ রয়েছে।
‘যাচাই বাছাই শেষে দাখিলকৃত তথ্য মিথ্যা বা ভুল প্রমাণিত হলে প্রাথমিক নির্বাচন বাতিল বলে গণ্য হবে’—বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আট ধরনের সনদ ও দলিলপত্রের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সনদের কপি ও নম্বরপত্র, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রার্ড জন্ম সনদের কপি, পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, স্থানীয় সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, পৌরসভার চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অথবা ওয়ার্ড কমিশন প্রদত্ত মূল নাগরিক সনদপত্র সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
আর মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে প্রার্থীর পিতা অথবা মাতার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া সনদের কপি প্রয়োজন। পার্বত্য উপজেলার উপজাতীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে সার্কেল চিফ ও জেলা প্রশাসকের সনদ এবং অ-উপজাতীয় প্রার্থীর ক্ষেত্রে সার্কেল চিফ বা জেলা প্রশাসক প্রদত্ত মূল সনদপত্র নিতে হবে। তবে অন্যান্য জেলার উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে গোত্র প্রধান ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক প্রদত্ত মূল সনদপত্রের কপি লাগবে।
এনএআর/
-
৩০ অক্টোবর, ২০২৪
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’
১৭ জানুয়ারি এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা, বিডিএস ২৮ ফেব্রুয়ারি
-
১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪