জুলাই অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ কিশোর আরাফাতের মৃত্যু
মেডিভয়েস রিপোর্ট: জুলাই অভ্যুত্থানে রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে আহত ১২ বছর বয়সী কিশোর আরাফাত হুসাইন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অসম এ লড়াইয়ে আরাফাতের শরীরের একাধিক গুলি লেগেছিল।
আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় গঠিত টিমের অন্যতম সদস্য ডা. হুমায়ুন কবির হিমু আজ সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) মেডিভয়েসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
আরাফাতের বড় ভাই হাসান আলী বলেন, স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর ৫ অগাস্ট বিকালে আনন্দ মিছিলে গিয়েছিলেন আরাফাত। সেই সময় আজমপুরে থানার সামনে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। একটা গুলি তার পাঁজরের নিচ দিয়ে ঢুকে পিঠের দিকে বের হয়ে যায়। কয়েকটি হাসপাতালে ঘুরে কুমির্টোলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাকে সিএমএইচে পাঠান। সেখানেই ভর্তি ছিল সে।
তিনি জানান, ‘তার শরীরের পাঁজরে গুলি লাগে। এতে তার ফুসফুস, মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গুরুতর আহত আরাফাতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। এর মাঝেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন আরাফাত।’
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেল তিনটায় জুলাই অভ্যুত্থানের এই শহীদের জানাজা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে। পরে উত্তরা ১৪ নং সেক্টর কবরস্থান দাফন করা হবে।
শহীদ আরাফাতের বাড়ি রাজধানীর আজমপুরের পাকুরিয়া এলাকায়। তিনি উত্তরা জামিয়া রওজাতুল উলুম মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
এমআই/