১০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৫:৫০ পিএম

এপোস্টিল পদ্ধতিতে অনলাইনে সত্যায়িত হবে মেডিকেল সার্টিফিকেট

এপোস্টিল পদ্ধতিতে অনলাইনে সত্যায়িত হবে মেডিকেল সার্টিফিকেট
প্রতীকী ছবি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গমনেচ্ছুক মেডিকেল শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সনদপত্র এপোস্টিল পদ্ধতিতে সত্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে সনদপত্র সত্যায়নের নানা ভোগান্তি থেকে মুক্ত হচ্ছেন মেডিকেল শিক্ষার্থীরা। ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি দূতাবাসসহ নানা দপ্তরে সত্যায়নের ঝক্কি-ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও বোর্ডের ন্যায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও কাউন্সিলকে ‘এপোস্টিল মাইগভ’ (Apostill MyGOV) প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমনকি  আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) থেকেই শুরু হয়েছে এ কার্যক্রম। ফলে আজ থেকেই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিটি পৃষ্ঠা ২০০ টাকা হারে সত্যায়ন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।

একই দিন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা-১ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ কামাল হোসেন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে এ সংক্রান্ত উদ্যোগ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ‘দ্য কনভেনশন অন এবোলোশিং দ্য রিকয়ারমেন্ট অব লিগ্যালাইজেশন অব ফরেন পাবলিক ডকুমেন্ট’ স্বাক্ষরকারী দেশ উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, আগামী জানুয়ারি মাসের মধ্যে বিদেশ গমনেচ্ছুক শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সার্টিফিকেট এপোস্টিল পদ্ধতিতে সত্যায়নের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট সত্যায়নে দেশের অন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় বা বোর্ডের ন্যায় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বা কাউন্সিল সমূহকে ‘এপোস্টিল মাইগভ’ প্লাটফর্মে যুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইলেকট্রনিক এপোস্টিল প্রোগ্রাম (ই-এপিপি) সম্পূর্ণভাবে চালু করা যায়, সে লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক সত্যায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৯ জুলাই নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অনুষ্ঠিত এপোস্টিল কনভেনশনে যোগ দেয় বাংলাদেশ। একইসঙ্গে কনভেনশনে স্বাক্ষরও করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এপোস্টিল পদ্ধতিতে সত্যায়নের ফলে এখন থেকে বিদেশগামী ছাত্র-ছাত্রী, পেশাজীবী ও অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিদেশে ভর্তি ও চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে যে সকল পাবলিক ডকুমেন্ট সনাতন পদ্ধতিতে সত্যায়িত করতে হতো, তা দ্রুততর, সহজ ও সুলভভাবে করা যাবে। আর এর সত্যতা ও সঠিকতা সার্টিফিকেটে বিদ্যমান কিউআর কোড দিয়ে বিশ্বের যেকোন স্থান থেকে যাচাই করা যাবে। এতে বিদেশগামী ছাত্র-ছাত্রী এবং পেশাজীবীদের বিভিন্ন ধরণের হয়রানি ও ভোগান্তি সম্পূর্ণ লাঘব হবে।

তারা বলছেন, নিজ দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা এপোস্টিল সার্টিফিকেট ব্যবহার করলে বিদেশি দূতাবাস বা বিদেশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা বিদেশি অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের সত্যায়নের জন্য শ্রম ও অর্থ ব্যয় করে তাদের দ্বারস্থ হতে হবে না। এতে প্রতি বছর বিদেশগামী বাংলাদেশিদের আনুমানিক ৫০০-৬০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।

এনএআর/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : বিদেশে উচ্চশিক্ষা
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত