২৩ অক্টোবর, ২০২৩ ০৯:৩৫ এএম

প্রধানমন্ত্রীর অনুদানে ২ জনের হার্টে রিং

প্রধানমন্ত্রীর অনুদানে ২ জনের হার্টে রিং
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক তাদের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন।

মেডিভয়েস ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুদানে আবু তাহের (৫৫) ও শরিফুল ইসলাম (৫৯) নামে দুই ব্যক্তির হার্টে রিং স্থাপন করেছে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।

রোববার (২২ অক্টোবর) অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুজনের হার্টে তিনটি রিং স্থাপন করা হয়। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক তাদের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন।

বিনামূল্যে রিং পাওয়া আবু তাহের বরিশালের হিজলা থানার বাসিন্দা। তিনি পেশায় মাছ বিক্রেতা। তাকে একটি রিং পরানো হয়েছে। আর রাজধানী বাড্ডার বাসিন্দা শরিফুল ইসলামের পরানো হয়েছে দুটি রিং। তিনি গাড়িচালক।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন বলেন, গত ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের অসহায় রোগীসেবা তহবিলে সাত কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে রিং লাগানো শুরু হয়েছে। প্রথমদিনে দুজন অসহায় রোগীকে রিং পরানো হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালে প্রতিনিয়তই গরিব ও অসহায় রোগীরা একটু সুযোগ-সুবিধার জন্য ভিড় করেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের অর্থ ছাড় হয়ে আমাদের কাছে আসতে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমরা আরও আগে শুরু করতে পারিনি। যদিও এখনো অনুদানের অর্থ আমাদের হাতে আসেনি, তারপরও আমরা কোম্পানিগুলো থেকে অগ্রিম রিং নিয়ে লাগিয়েছি। কারণ কিছু রোগী থাকেন, যারা খুবই অসহায়, এমনকি চাইলেই তাদের রিং পরাতে দেরি করা সম্ভব হয় না।

এর আগে গত ২৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়ার কাছ থেকে অসহায় রোগীসেবা তহবিলে সাত কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার টাকার অনুদানের চেক গ্রহণ করেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক