বিশ্বব্যাপী কলেরার প্রকোপ বাড়ছে: ডব্লিউএইচও
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বিশ্বব্যাপী কলেরার প্রকোপ বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। জাতিসংঘের সংস্থাটি বলেছে, গত বছর রিপোর্ট করা আক্রান্তের সংখ্যা ২০২১ সালে রিপোর্ট করা আক্রান্তের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি।
কলেরা ছড়িয়ে পড়ছে এমন দেশের সংখ্যাও ২০২২ সালে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে; ২০২১ সালে ৩৫টি দেশ থেকে বেড়ে গত বছর তা ৪৪টি দেশে পৌঁছেছে।
ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন অনুসারে, কলেরা একটি প্রাণঘাতী রোগ হতে পারে, যা সাধারণত অনিরাপদ খাবার কিংবা পানির মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়া কলেরা আক্রান্ত মানুষের মল পানিতে মিশে গেলে সেই পানি থেকেও কলেরা ছড়াতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে কলেরার প্রচলিত চিকিৎসায় দুই ডোজ করে টিকা দেয়া হত। তবে, গত বছরের অক্টোবর থেকে, জরুরী ভ্যাকসিন সরবরাহ তত্ত্বাবধানের জন্য নিয়জিত আন্তর্জাতিক সমন্বয়কারী গ্রুপ এক ডোজ করে কলেরার টিকা দেয়া শুরু করেছে।
ডব্লিউএইচও বলেছে, গত বছর কলেরার প্রাদুর্ভাব ছিল ব্যাপক। বিশেষ করে আফগানিস্তান, ক্যামেরুন, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, মালাউই, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া এবং সিরিয়া দশ হাজারেরও বেশি সন্দেহজনক এবং কলেরা আক্রান্ত রোগী নিশ্চিত করেছে৷
ডব্লিউএইচও-এর মতে, বিশ্ব বর্তমানে এই বছর কলেরার উত্থানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, এবং ইতোমধ্যে ২৪টি দেশে এর ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে কিছু কিছু দেশ ভয়াবহ সংকটের মধ্যে রয়েছে।
সূত্র: ভয়েস অব এমেরিকা
-
০৮ এপ্রিল, ২০২৪
-
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
-
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
-
২০ মে, ২০২৩
-
২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
-
২৬ জানুয়ারী, ২০২৩
-
১০ নভেম্বর, ২০২২
-
২৫ জুন, ২০২২
-
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়
ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়
ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’