ভারতের তৈরি সিরাপ সেবনে উজবেকিস্তানে ১৮ শিশুর মৃত্যু
মেডিভয়েস ডেস্ক: ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক মেরিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডের তৈরি ওষুধের সিরাপ সেবনে উজবেকিস্তানের ১৮ শিশু মারা গেছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশিটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় বলেছে, ডক-১ ম্যাক্স নামের সিরাপটি ২১ জন শিশু গ্রহণ করেছিল, এর মধ্যে ১৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ওষুধটি প্রস্তুতকারক কোম্পানির ওয়েবসাইটে দেখা যায়, এটি সর্দি ও ফ্লু’র উপসর্গের চিকিৎসা হিসেবে বাজারজাত করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কুরাম্যাক্স মেডিকেল এলএলসি নামের একটি সংস্থা সিরাপটি উজবেকিস্তানে আমদানি করেছিলো।
এর আগে ভারতের তৈরি কাশির সিরাপ সেবনে ৭০ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। এরপর ভারতে তৈরি চারটি সর্দি-কাশির সিরাপ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
ডক-১ ম্যাক্স সিরাপটির একটি ব্যাচে ইথিলিন গ্লাইকোলের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এটি এক ধরনের বিষাক্ত পদার্থ বলে জানিয়েছে উজবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে- ওই কাশির সিরাপে প্যারাসিটামলের মাত্রায় গরমিলের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, সিরাপটি ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই বাড়িতে বাবা-মা কিংবা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে শিশুদের দেওয়া হয়েছিল এবং শিশুদের ডোজের মাত্রার অতিরিক্ত প্রয়োগ করা হয়েছিল।
জানা গেছে, ২০১২ সালে উজবেকিস্তানে নাম নথিভুক্ত করেছিল মেরিয়ন বায়োটেক। তাদের সরবরাহ করা সর্দি-কাশির সিরাপ পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।
গত অক্টোবরে গাম্বিয়ার ওই ঘটনায় অভিযোগ ছিল, ভারতীয় সংস্থা মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি চার ধরনের কাশির সিরাপের দিকে। সিরাপগুলো হলো- প্রোমেথাজিন ওরাল সলিউশন, কফেক্সমালিন বেবি কফ সিরাপ, মাকফ বেবি কফ সিরাপ এবং ম্যাগ্রিপ এন কোল্ড সিরাপ।
এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস সংবাদ সম্মেলনে ওই সংস্থার তৈরি সর্দি-কাশির সিরাপ নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিলেন।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স
রাজধানীতে জামায়াতের মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি
বাজেট বৈষম্য ও স্বাস্থ্যে অব্যবস্থাপনা বরদাশত করা হবে না
রাজধানীতে জামায়াতের মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি
বাজেট বৈষম্য ও স্বাস্থ্যে অব্যবস্থাপনা বরদাশত করা হবে না
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’