গৌরব ও ঐতিহ্যের ৬০ বছরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: গৌরব ও ঐতিহ্যের ৬০ বছরে পদার্পণ করেছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ (সিওমেক)। ৬০ বছর আগে ১৯৬২ সালের ২২ অক্টোবর যাত্রা শুরু করেছিল দেশের অনেক কিংবদন্তি চিকিৎসক গড়ার এ সুতিকাগার।
৬০তম জন্মবার্ষিকীকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে আজ শনিবার আয়োজন করা হয় ‘SOMC DAY 2022’। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সেজেছে সিওমেক ক্যাম্পাস। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও সেজেছে নানা সাজে।
সকাল সাড়ে ৯টায় বর্ণিল শোভাযাত্রা বের করে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বেলা ১১টায় কেক কাটা, মিষ্টি বিতরণ ও স্মারক উম্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত স্মৃতিচারণমূলক আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।
১৯৪৮ সালে সিলেট নগরীর চৌহাট্টায় সিলেট মেডিকেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর স্কুলটিকে কলেজে রূপান্তরের দাবিতে আন্দোলন হলে ১৯৬২ সালে পাকিস্তান সরকারের আমলে। এটিকে সিলেট মেডিকেল কলেজ নামে কলেজ পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৮৬ সালে তৎকালীন সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর নামানুসারে কলেজটির নাম পরিবর্তন করে ‘সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ’ রাখে, যা সংক্ষেপে সিওমেক নামেও পরিচিত। ১৯৬৮-৬৯ সালে কলেজ ক্যাম্পাস সম্প্রসারণ করা হয়। কলেজ এবং হাসপাতাল ২০৬,৩৫৫ বর্গ মিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত এবং পুরাতন ও নতুন অঞ্চলে বিভক্ত। নতুন অঞ্চলে অবস্থিত কলেজটি ১৯১,৯৭৭ বর্গ মিটার এলাকাজুড়ে আছে।
মূল ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রী নিবাসের সাথে রয়েছে বিশাল খেলার মাঠ। বর্তমানে সিওমেকে ছাত্রদের জন্য পাঁচটি এবং ছাত্রীদের জন্য চারটি শিক্ষার্থী নিবাস রয়েছে। ছাত্রদের নিবাসগুলো হচ্ছে শহীদ ডা. শামসুদ্দীন আহমেদ ছাত্রাবাস, আবু সিনা ছাত্রাবাস, কর্নেল জিয়া ছাত্রাবাস, হযরত শাহজালাল ছাত্রাবাস ও শহীদ ডা. মিলন ইন্টার্ন ছাত্রাবাস। ছাত্রীদের নিবাসগুলো হচ্ছে- দিলরুবা বেগম ছাত্রীনিবাস, শ্যামল কান্তি লালা ছাত্রীনিবাস, হযরত শাহ পরান ছাত্রীনিবাস ও প্রমীলা ইন্টার্ন হোস্টেল।