চিকিৎসকদের গবেষণায় বরাদ্দ ১০০ কোটি টাকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মেডিভয়েস রিপোর্ট: আমরা গবেষণায় বেশ পিছিয়ে আছি। তাই চিকিৎসকদের গবেষণায় এ বছর প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুন) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) শহীদ মিল্টন হলে ইনস্টিটিউট অব প্রেডিয়াট্রিক নিউরোডিজঅর্ডার এন্ড অটিজম (ইপনা) কর্তৃক পরিচালিত ‘ সার্টিফিকেট কোর্স অন নিউরোডেভোলাপমেন্ট ডিসঅর্ডার’ শীর্ষক কোর্সের উদ্বোধনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
চিকিৎসকদের গবেষণায় মনোযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভালো গবেষণা হোক। যা কিছু প্রয়োজন সব কিছুই দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। দেশে বিভিন্ন ধরণের ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু হয়েছে। নতুন নতুন ওষুধ তৈরি হচ্ছে। ইতোমধ্যে টিকা দেশে তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আটটি বিভাগে বার্ণ ইউনিট তৈরি করা হবে। ইতোমধ্যে পাঁচটি বিভাগে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, আজ ২০ জন কোর্স সম্পন্নকারীকে সনদ প্রদান করা হলো। তারা অটিজম শিশুদের সঠিক শিক্ষা দিবেন। এক সময় এসব শিশুদের অভিভাকরা মেহমান আসলে বাড়িতে লুকিয়ে রাখতো। এখন সে অবস্থা নেই। এ সকল শিশুরা আগামি দিনে আরও ভালো চিকিৎসা পেতে পারে সেজন্য হাসপাতাল ও আলাদা স্কুলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলে, সেতুটি ১.৫ শতাংশ জিডিপিতে কন্ট্রিবিউট করবে। স্বাস্থ্যখাতে দেশ অনেক এগিয়ে যাবে। টিকাদানে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। দেশে গড় আয়ু ৭৩ বছর উন্নীত হয়েছে। শিশু মৃত্যু হার কমাতে স্বাস্থ্যখাতের অবদান রয়েছে। ডায়রিয়া, কলেরায় এখন আর অনেক লোক মারা যায় না। কারণ, বিভিন্ন টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের করোনা নিয়ন্ত্রণের প্রশংসা করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ৯০ শতাংশ এর উপরে টিকার আওতায় এসেছে। ৫-১২ বছরের শিশুদের টিকার আওতায় দ্রুত আনা হবে। প্রায় ১.৫ কোটি শিশু টিকা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া বর্তমানে করোনা বাড়ছে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশারফ হোসেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল ও শিশু নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডুসহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটির মূল উদ্দেশ্য, দেশব্যাপী স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যাসমূহের সেবা প্রদানের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
-
১৪ জুন, ২০২৬
দশ জেলায় আইসিইউ উদ্বোধন
এক হাজার শয্যার ২০ হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী