সাত বিভাগে ছড়িয়ে পড়েছে অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট
মেডিভয়েস রিপোর্ট: করোনাভাইরাসের নতুন ধরণ অমিক্রন গত এক মাসে দেশের সাতটি বিভাগে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , গত ১ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইইডিসিআরে ১৪৮টি করোনার নমুনা পরীক্ষায় ১১৮টিতেই অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, যা মোট জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মধ্যে ৮০ শতাংশ। আর বাকি ৩০টি নমুনা পরীক্ষায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, যা হার বিবেচনায় ২০ শতাংশ।
এতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিভাগের ৭০টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সে ৬৫টিতে অমিক্রন এবং পাঁচটিতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের ১৮টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সে ১৪টিতে অমিক্রন ও বাকি চারটিতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। রাজশাহী বিভাগের ২২টির ১৫টিতে অমিক্রন ও ৭টিতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।
এ ছাড়া খুলনায় ১৪টির ১২টিতে অমিক্রন ও দুইটিতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। বরিশালে নয়টির ছয়টিতে অমিক্রন ও তিনটিতে ডেল্টা, সিলেটে ছয়টির তিনটিতে ওমিক্রন ও তিনটিতে ডেল্টা, এবং রংপুর বিভাগের সাতটির তিনটিতে অমিক্রন এবং চারটিতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। একমাত্র ময়মনসিংহ বিভাগে গত এক মাসে কোনো অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়নি। বিভাগটিতে দুইটি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সে দুটিতেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনার সাতটি ধরনের মধ্যে পাঁচটিকে উদ্বেগজনক বলে মনে করে। আইইডিসিআরসহ মোট চারটি প্রতিষ্ঠান দেশে করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছে। বাকি তিন প্রতিষ্ঠান হলো আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি), ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইদেশি) এবং চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ)।