বিএমডিসির নতুন সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদ হাসান
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান ও অধ্যাপক ডা. এ বি এম মাকসুদুল আলম। এছাড়া সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম।
আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ৪৯তম সাধারণ সভায় নতুন কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে তারা নির্বাচিত হন।
এদিকে বিএমডিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ (৬১ নং আইন) এর বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী এসব সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন।
কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হলেন ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান, অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. মো. জুলফিকার রহমান খান ও অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ।
প্রতিষ্ঠানটির স্থায়ী স্বীকৃতি প্রদান কমিটির সদস্য হয়েছেন অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, অধ্যাপত ডা. কাজী শহিদুল আলম, ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মো. নুরুল হুদা ও অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কাশেম।
জার্নাল কমিটিতে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান, অধ্যাপক ডা. মির্জ্জা মানজুরুল হক, ডা. শাহরিয়ার নবী ও অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল আলম চৌধুরী। এছাড়া ভবিষ্যৎ সঞ্চয় তহবিলের দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. এম এ মান্নান।
আগামী ৩ (তিন) বছর এই কমিটিসমূহ দায়িত্ব পালন করবে।
দায়িত্ব পাওয়ার পর অনুভূতি জানতে চাইলে অধ্যাপক মাকসুদুল আলম মেডিভয়েসকে বলেন, বিএমডিসি একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, এটি ভালো চলুক। দেশের মেডিকেল ভালো ও সুন্দর হউক। আমি একটি কলেজের প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করেছি। আশা করি, আমাদের এই কমিটির মাধ্যমে নেতৃত্ব আরও গতিশীল হবে। আমাদের মেডিকেল শিক্ষা আরো সুন্দর ও জনবান্ধব হবে, দেশের জন্য উপযোগী হবে। চিকিৎসক ও রোগীর স্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থা আরও ভালো হবে এবং বিএমডিসি আরও কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে। চিকিৎসক তৈরি করে মানসম্পন্ন সেবা প্রদান করা হবে। এতে দেশ ও জনগণ উপকৃত হবে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড স্যোশাল মেডিসিনের (নিপসম) পরিচালক অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে লাখো কোটি শুকরিয়া। যে রহমত তিনি আমার মত নগণ্য বান্দার উপর বর্ষণ করলেন, আমি যেন তার মর্যাদা আজীবন সমুন্নত রাখতে পারি, সেটাই প্রার্থনা।’