মশার উপদ্রুপে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীরা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: মশার উপদ্রুপে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ঢাকা কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যার পর আবাসিক হলগুলোতে মাত্রাতিরিক্ত মশার উৎপাত দেখা দেয়। মশার উপদ্রুপে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা থেকে শুরু করে হলে অবস্থান করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। আর এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, পুরো ক্যাম্পাস এখন মশার রাজ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি। মশার উপদ্রবে পড়ালেখা করতে পারছি না। পড়তে বসলেই মশার কামড়, তখন বইয়ের সঙ্গে লড়াই না করে মশার সঙ্গে লড়াই করতে হয়।
উত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, কলেজের মশার কামড়ে অতিষ্ঠ আমার ক্যাম্পাস জীবন। মশার কামড়ে রাতে ঘুমাতেও পারি না। কী দিন কী রাত সারাক্ষণ মশার অত্যাচার। মশা পড়াশোনায় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মশার কামড় থেকে দ্রুত পরিত্রাণ চাই।
ঢাকা কলেজের আবাসিক শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রবে দাঁড়িয়ে ও বসে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। রাতে এ উপদ্রব আরও বাড়ে। মশার কারণে রাতে এমনিতে মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হয়। কিন্তু এই উপদ্রব এতোটাই বেশি যে, পড়াশোনা করা দায় হয়ে পড়েছে। রাতে মশার কামরে শরীরেও জ্বর জ্বর চলে আসছে। মশার উপদ্রব থেকে দ্রুত বাচঁতে চাই। সেজন্য আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ ও সকল হল তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক এ টি এম মঈনুল হোসেন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘মশার উপদ্রব কমানোর জন্য আমরা ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশনের কাছে চিঠি দিয়েছি। এ ছাড়া ড্রেনগুলো মধ্যে কেরাসিন দেওয়া হয়েছে। এখন যে পরিমাণ স্প্রে করা হচ্ছে, তা আরও বেশি করে দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে চিঠি দিয়েছি। তবে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার খবর এখন পর্যন্ত কেউ দেয়নি।’
এসব বিষয়ে জানতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আ স ম ফেরদৌস আলমকে মুঠোফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।