করোনা ও লকডাউন: সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা
করোনার ভয়াবহতা আবারও নতুনরূপ নিচ্ছে। দিনকে দিন রেকর্ড ভেঙে ছাড়িয়ে যাচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। আজকেও ১৮৫ জন মারা গেছে, আক্রান্ত সাড়ে আট হাজারের অধিক।
কেন হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে পড়ল বাংলাদেশ? উত্তরে মিলবে, উদাসীনতার সঙ্গে খামখেয়ালিপনা আর সবাই একই রকমের ভুল করেছে। এখন শুধু এক জনের দোষ, অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের দায় সেড়ে নিচ্ছে।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলো আর চিকিৎসকরা ব্যাতিত কারও মাথায় এখন অব্দি ঢুকানো যায় না, করোনা কাউকে বেছে বেছে আক্রান্ত করে না। যে কেউ, যে কোনো সময় আক্রান্ত হতে পারে। একজনের মাধ্যমে গোটা পরিবার আক্রান্ত হতে পারে, সেটা বিশ্বাস করানোও অসম্ভব।
এদিকে লকডাউন কিংবা শাটডাউন দিয়ে কিছু উদ্ধার করা যাবে না। শিক্ষার্থীদের ঘরে আটকে জাতির মেরুদন্ড দাঁড় করানো আদৌ সম্ভব নয়। বিকল্প চিন্তাভাবনা না করে হুটহাট সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে একই বৃত্তের মধ্যে ঘুরপাক খাওয়া। যার ঘরে খাবার নেই, তাকে করোনার ভয় দেখানো আর বানরকে গাছে উঠতে মানা করা একই কথা।
শুধুমাত্র উপযুক্ত সিদ্ধান্তহীনতায় আর সেক্টরে সেক্টরে দুর্নীতির বেড়াজালে বন্দি বাংলাদেশ, ঠিক একবছর আগের জায়গায় এখনও পড়ে আছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শতকরা ৯৫ ভাগ জনসাধারণ। সবচেয়ে বেশি বাজে প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের উপর।
কিন্তু দিনশেষে, এর দায়ভার কেউ নিবে না। আর এসব উদ্ভট চিন্তাভাবনায় নিঃস্ব হয়ে কিছু ধ্বংসাবশেষ, শেষ পর্যন্ত হাহুতাশ করে যাবে। কাজের কাজ কিছুই হবে না।