ভারতে কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যুও
মেডিভয়েস ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ভারত। একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিন হাজার ৬৬০ জন মানুষ। এ নিয়ে ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো তিন লাখ ১৮ হাজার ৮৯৫ জন। এ সময় এক লাখ ৮৬ হাজার ৩৬৪ জনের দেহে নতুন করোনা শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৮ মে) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ভারতে আজ প্রায় দুই লাখ মানুষের দেহে নতুন করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই কোটি ৭৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪৫৭ জন। ভারতে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন দুই কোটি ৪৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪১০ জন।
ভারতের সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ফের ২ লক্ষের নীচে নামল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। ৪৪ দিন পর দেশের দৈনিক সংক্রমণ এতটা কম হল। পাশাপাশি দৈনিক মৃত্যুও বৃহস্পতিবারের তুলনায় রয়েছে কম।
গত দু’সপ্তাহ ধরে দেশে যত লোক রোজ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। তার থেকে বেশি রোগী রোজ সুস্থ হয়ে উঠছেন। এর জেরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। দু’সপ্তাহ আগে দেশে সক্রিয় রোগী ছিল ৩৭ লক্ষের বেশি। এখন তা কমে হয়েছে ২৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৫২ জন। এর সঙ্গে দেশে সংক্রমণের হারও আগের তুলনায় কমেছে। গত ৪ দিন দেশে সংক্রমণের হার রয়েছে ১০ শতাংশের নীচে।
দেশের অধিকাংশ রাজ্যে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতেই দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, ছত্তীসগঢ়, রাজস্থান, হরিয়ানা, বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যেগুলিতে সংক্রমণ অনেকটা কমেছে। ওড়িশা, পঞ্জাবে, অসমে আগের থেকে কমলেও সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তা বলা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৩ হাজারের বেশি, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৬ হাজারের বেশি। মহারাষ্ট্রে আগের থেকে অনেক কমে দৈনিক সংক্রমণ নেমেছে ২১ হাজারের ঘরে। কর্নাটক এবং কেরলেও তা ২৫ হাজারের কম। কিন্তু তামিলনাড়ুতে এখনও রোজ আক্রান্ত হচ্ছেন ৩০ হাজারের বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৬১ জন।’
-
০১ অগাস্ট, ২০২৫
-
২১ জুলাই, ২০২৫
-
১২ জুলাই, ২০২৫
-
০৭ জুলাই, ২০২৫
-
০২ জুলাই, ২০২৫
-
২৮ জুন, ২০২৫
-
২৩ জুন, ২০২৫
বিএমইউ (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ প্রত্যাহারের দাবি
সরকারি হাসপাতাল বাণিজ্যিকীকরণে মানুষের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে: বিরোধীদলীয় নেতা
সেনেগাল ফুটবলে চাঞ্চল্য
জাতীয় দলের প্রধান চিকিৎসক ছিলেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
বিএমইউ (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ প্রত্যাহারের দাবি
সরকারি হাসপাতাল বাণিজ্যিকীকরণে মানুষের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে: বিরোধীদলীয় নেতা
সেনেগাল ফুটবলে চাঞ্চল্য
জাতীয় দলের প্রধান চিকিৎসক ছিলেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
বিএমইউ (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ প্রত্যাহারের দাবি
সরকারি হাসপাতাল বাণিজ্যিকীকরণে মানুষের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে: বিরোধীদলীয় নেতা
অনুপস্থিতি ও বেসরকারি হাসপাতালে মালিকানা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা