ডা. শরীফ উদ্দিন

ডা. শরীফ উদ্দিন

রেসিডেন্ট, নিটোর 


১৭ জানুয়ারী, ২০২১ ০৬:০৮ পিএম

এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত জরুরি তথ্য 

এফসিপিএস ট্রেনিং সংক্রান্ত জরুরি তথ্য 
ছবি: সংগৃহীত

এফসিপিএস পার্ট ওয়ান পাসকৃত অনেকে ইনবক্সে কিছু ইনফরমেশন জানতে চাচ্ছেন। আপনাদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য: 

১. সাধারণত বিসিপিএস একমাস পরে ইমেইলে একটি অভিনন্দন মেসেজ পাঠায়। নিয়ম মাফিক একটা চিঠিও পাঠানোর কথা, কিন্তু অধিকাংশ সময় চিঠি হাতে এসে পৌঁছায় না। ইমেইল বা চিঠি পাওয়ার পর বিসিপিএস কার্যালয়ে গেলে উনারা একটা আইডি, পাসওয়ার্ড দেন, যেটা ব্যবহার করে আপনি বিসিপিএস ওয়েবসাইটে গিয়ে ট্রেনিং সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন।

২. এফসিপিএস ট্রেনিং কাউন্ট হয় ছয় মাসের স্লটে। জানুয়ারি-জুন অথবা জুলাই-ডিসেম্বর এই হিসাবে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ট্রেনিংয়ের জন্য ট্রেইনি আহ্বান করে। সেক্ষেত্রে ট্রেনিং শুরু করতে হয় জানুয়ারি বা জুলাইয়ের এক তারিখ থেকে। যারা এইচএমও হিসেবে কাজ করার জন্য আগেই আবেদন করেছেন, তারা এখনই ট্রেনিং শুরু করতে পারবেন বা ট্রেনিং শুরু করে থাকলে, সেটা কনটিনিউ করবেন।

৩. যারা এইচএমও হিসেবে ট্রেনিং শুরু করার জন্য আগে থেকে কোথাও আবেদন করেননি, কিন্তু এখন শুরু করতে চান, তারা পছন্দনীয় প্রতিষ্ঠানের ডিপার্টমেন্ট বরাবর যোগাযোগ করবেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমতি সাপেক্ষে অনেকে পার্ট ওয়ানের রেজাল্টের পর কাজ শুরু করেছেন।

৪. যারা প্রথম ট্রেনিং শুরু করবেন, তারা জানুয়ারির মধ্যেই বিসিপিএস অফিসে গিয়ে ট্রেনিং শুরু সংক্রান্ত তথ্য বিসিপিএসকে অবহিত করে আসতে হবে। যাদের আগে থেকে ট্রেনিং করা ছিল, এখন পার্ট ওয়ান পাস করেছেন,  তারাও সংশ্লিষ্ট তথ্য বিসিপিএস অফিসে জানিয়ে আসবেন।

৫. আপনি যে এইচএমও বা ট্রেইনি হিসেবে কাজ শুরু করেছেন, এই সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের স্বাক্ষরিত অর্ডার সংরক্ষণে রাখবেন। ফাইনাল পরীক্ষার আগে লগ বই, ট্রেনিং সার্টিফিকেটের পাশাপাশি এই অর্ডারও বিসিপিএসএ দাখিল করতে হয়। সরকারি ট্রেইনিদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অর্ডার কপি দাখিল করতে হয়।

৬. ট্রেইনিং চলাকালীন লগ বই মেইনটেইন করতে হয়। বিসিপিএসের সি ব্লকের দুইতলার অর্থ সংক্রান্ত অফিস থেকে ২০০ টাকা দিয়ে লগ বই সংরক্ষণ করতে হবে।

৭. করোনার প্রাদুর্ভাবের আগে ট্রেনিং শুরুর আগেই ভাতার জন্য বিসিপিএসে আবেদন করতে হতো, বিসিপিএস ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান ঠিক করে দিতো, ট্রেনিংয়ের শেষ দিকে বিসিপিএস ওয়েবসাইট থেকে নির্দিষ্ট ফর্ম ডাউনলোড করে ট্রেনিং সুপারভাইজারের স্বাক্ষরসহ বিসিপিএস অফিসে জমা দিলে এক সাথে ছয় মাসের ভাতা পাওয়া যেতো। এখন আগে থেকে আবেদন করতে হয় না। ট্রেনিংয়ের শেষ দিকে বিসিপিএস ফর্ম ছাড়ে, ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে ট্রেনিং সুপারভাইজারের স্বাক্ষর নিয়ে জমা দিলে একসাথে ছয় মাসের ভাতা পাওয়া যায়।

৮. ট্রেনিং শেষ হওয়ার একমাসের মধ্যে ট্রেনিং সুপারভাইজার স্বাক্ষরিত প্রোগ্রেস রিপোর্ট বিসিপিএস অফিসে জমা দিয়ে আসতে হয়। 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত